শীতের শিরশিরানি তো রয়েছে কিন্তু কনকনে ঠাণ্ডা কোথায়। কবে আসবে জাঁকিয়ে শীতের মরশুম, এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে বাঙালির মনে। কিন্তু এসবের মধ্যেই এল মনখারাপ করা খবর। আগামী কয়েকদিনে শীত পড়া তো দূর বরং তাপমাত্রা বাড়বে বঙ্গের।
ঘূর্ণিঝড় ফেঙ্গল নিয়ে বেশ আতঙ্ক জন্মেছে বঙ্গবাসীর মনে। তবে সেই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার উপকূলে। ঝড়ের প্রভাবে সেই সংশ্লিষ্ট উপকূলীয় এলাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। মৎস্যজীবীদের সেখানে সমুদ্রে জেরে নিষেধ করা হয়েছে। তবে সেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সরাসরি বাংলায় পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গে আগামী কয়েক মাস ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে সপ্তাহান্তে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণায় বৃষ্টি হতে [আরে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও দুই মেদিনীপুরেও সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর। তবে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী ২-৩ দিন কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিনবঙ্গেই তাপমাত্রা বাড়বে। মূলত রাতে ও ভোরের দিকে শীত শির ভাব অনুভূত হবে। তবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তার কারণ নেই বলেই জানাল আবহাওয়া দফতর। কারণ ডিসেম্বরের শুরু থেকেই ফের কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা। সেই সময় থেকেই জাঁকিয়ে শীত পড়ার মরশুম শুরু হবে।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বটে তবে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পার্বত্য অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া বাকি জেলাগুলিতে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।
আজ, বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল, বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৫১ থেকে ৯৫ শতাংশ।





