প্রথমে একুশের বিধানসভা তো বটে, এরপর এক এক করে পঞ্চায়েত নির্বাচন, চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন ও সদ্য সমাপ্ত হওয়া উপনির্বাচন, সব ক্ষেত্রেই কোণঠাসা বিজেপি। বাংলায় ভরাডুবি গেরুয়া শিবিরের। এমন পরিস্থিতিতে বঙ্গ বিজেপিকে চাঙ্গা করতে কড়া বার্তা এল বিজেপি হাই কমান্ডের তরফে। পুরনো নেতাদের কাজে লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হল উপরমহল থেকে।
লোকসভা নির্বাচন হোক বা উপনির্বাচন, নিজেদের জেতা আসনও হারিয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতারা এত করে প্রচার করে গেলেও কেন এমন ফল হচ্ছে গেরুয়া শিবিরের, তা নিয়ে এবার চুলচেরা বিশ্লেষণে পদ্ম শিবির। সূত্রের খবর, দলের সাংসদ ও বিধায়কদের ভূমিকায় খুবই অসন্তুষ্ট রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশাল। সাংসদ-বিধায়কদের নিয়ে বেশ ক্ষোভ জারি করেন তিনি।
গত মঙ্গলবার রাতে সুনীল বনশাল রাজ্য বিজেপির নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন বলে জানা গিয়েছে। এই বৈঠক থেকে বনশাল বলেছেন, “কোনও বিধায়ক, কোনও সাংসদ কোথায় কী করছেন, সব খবর আমাদের কাছে আছে। অনেকেই এলাকায় যান না। অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়ান। সেখানে গিয়ে দাদাগিরি করলে দল মেনে মানবে না”। এদিন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে বেশ কড়া বার্তা দেন তিনি, এমনটাই না গিয়েছে।
রাজ্য নেতৃত্বকে বনশালের পরামর্শ, সকলকে নিজেদের এলাকায় ঠিকমতো সময় দিতে হবে। সংগঠন তৈরির উপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। তিনি বলেছেন, “জিতে ভাববেন না বিরাট কিছু হয়ে গিয়েছেন। আপনি এলাকার বিধায়ক, সাংসদ। তারপরেও কেন এই হাল সদস্য সংগ্রহের”?
এখানেই শেষ নয়, এদিন সুনীল বনশাল এও বলেন বলেন যদি প্রয়োজন পড়ে, তাহলে পুরনো নেতাদের কাজে লাগাতে হবে। দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহাদের মতো নেতাদের সক্রিয় করার নির্দেশ দেন ওই কেন্দ্রীয় নেতা। পুরনো নেতাদের বেশি করে সংগঠনের কাজে যুক্ত করার বার্তা দেন তিনি।





