‘চাকরি যদি ফেরত না পাই, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে ধর্না দেব’, বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি চাকরিহারাদের

Threat to Abhijit Ganguly: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিতর্ক আপাতত থামার নয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী। এর জেরে চাকরিহারাদের জীবনে নেমে এসেছে সঙ্কট। যারা যোগ্য অথচ চাকরি হারিয়েছেন, তারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন এই ঘটনার। এবার প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন তারা (Threat to Abhijit Ganguly)

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৬ সালের এসএসসির গোটা প্যানেল বাতিল হয়েছে। চাকরি গিয়েছে ২৫,৭৫৩ জনের। এই ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে রাজ্য সরকার ও স্কুল সার্ভিস কমিশন। হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ না দিলেও এই মামলার সম্পূর্ণ শুনানি হয়নি সুপ্রিম কোর্টে। আগাম সোমবার ফের শুনানি রয়েছে এই মামলার। এমন আবহে এবার ধর্না দিলেন চাকরিহারারা (Threat to Abhijit Ganguly)

গত রবিবার থেকে আন্দোলন শুরু করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের ২০১৬ সালের প্যানেলের চাকরিহারারা। তমলুকে ধর্না দিয়েছেন তারা। আজ, মঙ্গলবার তিনদিনে পড়ল তাদের ধর্না। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে তাদের চাকরি যেতে পারে বলে আশঙ্কা চাকরিহারাদের। শুধুমাত্র যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে তারাই নন, তাদের পরিবারের লোকজনও আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। তাদের হুঁশিয়ারি, যদি তারা তাদের হারানো চাকরি ফেরত না পান, তাহলে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Threat to Abhijit Ganguly) ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বাড়ি ঘেরাও করবেন।    

এই ঘটনায় এক চাকরিহারা শিক্ষক জানান, “অবস্থান মঞ্চ পেয়ে গর্বিত। অমানবিক রায়ের বিরুদ্ধে যতদিন না আমরা সুবিচার পাব ততদিন শিক্ষকদের গর্জন গর্জে উঠবে” (Threat to Abhijit Ganguly)

এই প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি মইনুল ইসলাম অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, “উনি বিচারপতি ছিলেন? মানুষের চাকরি খেয়ে খুশি হন। তাই এই প্রাক্তন বিচারপতির বাড়িতে ধরনা হবে (Threat to Abhijit Ganguly)। শান্তিকুঞ্জে ধরনা হবে”।

আবার মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিজন সরকার বলেন, “তুমি কোনও দোষীকে চিহ্নিত করতে পারবে না বলে সবাইকে দোষী সাব্যস্ত করার অধিকার তোমার নেই। এ অধিকার কারোর থাকতে পারে না। আমাদের সংবিধান বলেছে যদি কেউ দোষ করেন তাঁকে শাস্তি দিন, তবে নির্দোষকে সাজা দিতে পারি না”।

RELATED Articles