The wife burned the sleeping husband: বধূ নির্যাতনের ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। তবে স্বামী নির্যাতনের (abuse) ঘটনা বিরল। জ্যান্ত স্বামীকে পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটল (The wife burned the sleeping husband)। বাড়ির ভেতর শুয়েছিলেন স্বামী। সেই সুযোগেই স্বামীকে মারার চেষ্টা করল স্ত্রী। স্বামী যে ঘরে ঘুমাচ্ছিল সেই ঘরের দরজা বন্ধ করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্ত্রীয়ের বিরুদ্ধে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল গোটা বাড়ি। তবে সেই আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বেঁচে গিয়েছেন স্বামী। কিভাবে প্রাণে বাঁচলেন সেই স্বামী সেই নিয়ে স্ত্রীয়ের মনে প্রশ্ন জাগছে (The wife burned the sleeping husband)।
স্বামীকে পুড়িয়ে মারার (abuse) ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি থানার ছোট হাজারপুর গ্রামে। রবিবার দুপুরে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যায়। ওই বাড়ির মালিক মান্নার শা। স্বামী মান্নারের দাবি, তিনি ঘরের মধ্যে ঘুমাচ্ছিলেন সেই সময় স্ত্রী রোজিনা বিবি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে চলে যান। তারপরে নাকি দরজায় তালা লাগিয়ে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন তার স্ত্রী (The wife burned the sleeping husband)। স্বামী ঘুমাচ্ছিলেন সেই সুযোগে এই কাজে লাগিয়ে মৃত্যুর ছক কষলেন স্ত্রী।
জানা গিয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পর আর দেখা মেলেনি অভিযুক্ত স্ত্রী রোজিনার (The wife burned the sleeping husband)। আগুন লাগার ঘটনাটি প্রথম দেখে স্থানীয়রা। তারাই দমকলে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে হাজির হন নলহাটি থানার পুলিশ। মহিলার স্বামী মান্নার শা বলেন, “আমি ঘুমোচ্ছিলাম। সেই সময় বাইরে থেকে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তালা মেরে দৌড়ে পালিয়ে গিয়েছে। আমি চিৎকার করছি। আশপাশের ছেলেরা দৌড়ে চলে আসে। তারপর আমায় তাঁরা বাঁচায়” (The wife burned the sleeping husband)।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশ এলাকায় শ্বশুর বাড়ি গিয়ে হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন জামাই। শ্বশুর বাড়ির লোকেরা ওই তরুণকে মারধর করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শ্বশুর বাড়ির লোকের বিরুদ্ধে ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে (abuse) দেওয়ার চেষ্টা করা হয় ওই তরুণকে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তরুণের নাম আশীষ কুমার রাই। আশীষ বালিয়ার বাসিন্দা। আশীষের স্ত্রী অভিযুক্ত অমৃতা রাই। অভিযোগের ভিত্তিতে স্ত্রী অমৃতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর শনিবার অমৃতাকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি গিয়েছিলেন ওই তরুণ। রাতে বাড়ি ফিরতে চাইলে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা জামাইকে আটকে (abuse) দেন। এই ঘটনা স্বাভাবিক লাগলেও রাত গড়াতেই তেমনটা মনে হয়নি। এমনকি এই শ্বশুর বাড়ি থেকে যাতে জামাই যেতে না পারেন তার জন্য বাইকের চাবি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে রেখে ছিল শ্বশুর বাড়ির লোকেরা।
ওই তরুণ আশীষ ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, রাতে খাওয়া দাওয়া করে শুয়ে পড়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, রাত তিনটা নাগাদ তিনি যখন ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন তখন তার ওপর গরম জল ঢেলে দেন তার স্ত্রী অমৃতা। সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলেও, কোন লাভ হয়নি তার। আশীষ সেখান থেকে পালিয়ে আসতে চেষ্টা করলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে মারধর করতে শুরু করেন।





