TMC Leader suggested workers to tie up BJP leaders: লোকসভা নির্বাচনের ছ’টি দফার ভোট শেষ। এখনও বাকি এক দফার ভোট। এর আগে ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য রাজনীতি। এবার বিজেপি নেতাদের গাছে বেঁধে রাখার নিদান দিলেন বনগাঁর তৃণমূল প্রার্থী তথা সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস (TMC Leader suggested workers to tie up BJP leaders)। আর তাঁর সেই মন্তব্যে শুরু বিতর্ক।
গত ২০ মে ছিল লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোট। সেদিন ভোট ছিল বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে। এদিন বাগদার বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদা হাইস্কুল সংলগ্ন বুথের বাইরে সংঘর্ষ হয় তৃণমূলও ও বিজেপির মধ্যে। জখম হন দু’পক্ষের কর্মীরাই। সেই নিয়ে চলছিল মতানুবাদ (TMC Leader suggested workers to tie up BJP leaders)।
এরই মধ্যে গত শনিবার মালিদা হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকায় গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এদিন হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছিলেন আগামী ৪ জুন অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর সুদসমেত সব ফেরত দেওয়া হবে। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডলও।
বিজেপি প্রার্থীর সেই হুঁশিয়ারির পাল্টা দিলেন এবার তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ দাস। গতকাল, রবিবার মালিদা গ্রামে গিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিদান দেন তিনি (TMC Leader suggested workers to tie up BJP leaders)। কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা ভয় পাবেন না। বিজেপির জেলা সভাপতি এলাকায় এসে যদি সন্ত্রাস তৈরি চেষ্টা করে, আপনারা ওকে গাছে বেঁধে রেখে খবর দেবেন” (TMC Leader suggested workers to tie up BJP leaders)।
তাঁর সংযোজন, “২০১১ সালের নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সমগ্র রাজ্যজুড়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনানো হয়েছিল। কিন্তু এবার চার জুন ফলাফল ঘোষণা করা হওয়ার পর আর রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনানো হবে না। যে যেমন গান পছন্দ করে, তাঁকে সেই ভাষায় সেই গান শোনানো হবে” (TMC Leader suggested workers to tie up BJP leaders)।
তৃণমূলও নেতার নিদানের (TMC Leader suggested workers to tie up BJP leaders) পাল্টা দেন আবার বনগাঁ জেলা বিজেপি সভাপতি দেবদাস মণ্ডলও। বিশ্বজিৎ দাসকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, তিনি ওই এলাকায় আগেও গিয়েছেন, শনিবারও গিয়েছেন, আবারও যাবেন। তাঁর খোঁচা, ৪ তারিখের পর বিশ্বজিৎ দাসকে বেঁধে রাখবেন গ্রামের লোকেরা।





