তিনদিন ধরে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গোয়ালঘরে বেঁধে ফেলে রেখে দিল স্বামী। এমনকি, সেই মহিলার উপর চলল অকথ্য নির্যাতন, মারধরও। খাবার, জল দেওয়া হয়নি মহিলাকে, এমনও অভিযোগ। অচৈতন্য অবস্থায় গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার করা হয় মহিলাকে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন মহিলার মা ও ভাইও। অভিযোগ উঠেছে মহিলার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
এই নারকীয় ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাগমারা গ্রামে। জানা গিয়েছে, সেই গ্রামের বাসিন্দা মুজাহিদ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় সাইবা খাতুনের। কিন্তু মুজাহিদের আগের আরও এক স্ত্রী ছিল যা গোপন করে সাইবাকে বিয়ে করেছিল সে। পরে এই বিষয়টি জানাজানি হতেও পরিবারে শুরু হয় অশান্তি।
অভিযোগ, এরপর থেকেই সাইবার উপর নিয়মিত অত্যাচার শুরু হয়। বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল সাইবাকে। এই নিয়ে অভিযোগ করলে গ্রামে সালিশি সভা বসে। গত মঙ্গলবার সেই সভায় সতর্ক করা হয় মুজাহিদকে। স্ত্রী সাইবাকে মর্যাদা দিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় তাকে।
কিন্তু আদতে তা হয়নি। সেদিন থেকেই সাইবাকে গোয়ালঘরে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখে মুজাহিদ, এমনটাই অভিযোগ। সেখানে নির্যাতন চলত তাঁর উপর। আজ, শুক্রবার এক শিশু তা দেখে ফেলায় গোটা গ্রামে তা জানাজানি হয়ে যায়। এরপরই সাইবাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার নাম করে পেঁয়াজের ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে যান সাইবার মা ও ভাই। বাধা দিতে গেলে তারাও আক্রান্ত হন।
পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ। সাইবার মা ও ভাইকে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। সাইবার স্বামী মুজাহিদ আলম, প্রথম পক্ষের স্ত্রী নাগার বানু, ভাসুর সামসেদ আলি, বউদি রুপালি খাতুন-সহ পরিবারের আরও সদস্যের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার