শাসক-বিজেপি সংঘর্ষ উত্তপ্ত শ্রীরামপুর! তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বিজেপি নেতা, ভাঙ্গা হলো গাড়ি

কয়েক মাসের ব্যবধানেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। কোমড় বেঁধে নেমেছেন শাসক-বিরোধী দুই দল। বাংলায় রাজত্ব কায়েম করবে কে?
এই প্রশ্নের উত্তর পেতেই জোর কদমে চলছে প্রস্তুতি। চড়ছে উত্তেজনার পারদ। আর যা ক্রমেই সংঘর্ষে চেহারা নিচ্ছে।
নিত্য‌ই খবর আসছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে ছড়়াচ্ছে উত্তেজনা।
এবার স্থানীয় বিজেপি নেতার গাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হুগলির শ্রীরামপুর।
যথারীতি অভিযোগের নিশানায় রয়েছে শাসকদল তৃণমূল। তবে অভিযোগ মাথায় নিয়ে চুপ করে বসে নেই তৃণমূল‌ও। বিজেপি নেতার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা CISF জওয়ানদের বিরুদ্ধে দলের কর্মীদের মারধরের পাল্টা অভিযোগ করেছেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
পুলিশ সূত্রে খবর, তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত ওই বিজেপি নেতার নাম কবির শঙ্কর বসু।
থাকেন শ্রীরামপুরের বল্লভপুর এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে। রবিবার রাতে যখন ফ্ল্যাট থেকে বেরোচ্ছিলেন , তখন ফ্ল্যাটের সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে গন্ডগোল শুরু হয় তাঁর। অভিযোগ, এরপরই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও  বিজেপি সমর্থকরা। কবির শঙ্করের গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাল্টা লাঠিচার্জ করেন ওই বিজেপি নেতার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা CISFজওয়ানরা। আহত হন বেশ কয়েকজন। আর তাতেই তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
শাসক-বিজেপি সংঘর্ষের খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছন শ্রীরামপুরের তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এলাকার রাস্তা সারাই নিয়ে ওই বিজেপি নেতার ফ্ল্যাটের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। আচমকাই তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করেন CISF জওয়ানরা।
এরপরই মাত্রা ছাড়িয়ে বিতর্কিত কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কবির শঙ্কর বসুকে ‘গুন্ডা’ বলে সম্বোধন করে বলেন, তাঁর সঙ্গে নাকি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে! রাজ্যপালই শ্রীরামপুরে অশান্তি পাকানোর জন্য ওই বিজেপি নেতাকে পাঠিয়েছেন।

আরও অন্যান্য খবর