রাজ্যের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের ক্ষমতায় এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রাম থেকেই তিনি হেরেছেন। এরপরই নন্দীগ্রামে পুনর্গণনার দাবী উঠলে কমিশন তা খারিজ করে দেয়।
কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অনড় মমতা। তাঁর কথায় গোটা রাজ্যের সিদ্ধান্তের সঙ্গে নন্দীগ্রামের সিদ্ধান্তের মিল নেই। তাঁর মতে কোথাও কারচুপি হয়েছে। এই কারণে ভোটের ফলাফলের ৪৫ দিন পর নন্দীগ্রাম ইস্যুকে উস্কে হাইকোর্টে মামলা করেন মমতা। সেই মামলার শুনানি ছিল গতকাল, শুক্রবার। কিন্তু তা এক সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে যায়।
আরও পড়ুন- যাঁরা ১০ বছরে পারেনা তাঁরা এক বছরে কী করবে? জল-যন্ত্রণাকে হাতিয়ার করে রাজ্যকে কটাক্ষ দিলীপের!
মামলার তারিখ পিছিয়ে যাওয়ার পরই এই বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন তৃণমূলের নানান নেতারা। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দাবী, হাইকোর্টে যে বিচারপতি এজলাসে এই মামলার শুনানি হচ্ছে, সেই কৌশিক চন্দ বিজেপি দরদী। এই কারণেই তিনি এই মামলা পিছিয়ে দেন।
নিজের কথা প্রমাণ করতে তিনি একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন যাতে বিজেপির একটি সভায় কৌশিক চন্দকে উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে। দিলীপ ঘোষের পাশেই বসে রয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূল রাজ্য সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন দাবী করেন যে কৌশিক চন্দ বিজেপির হয়ে অনেক মামলা লড়েছেন। এই সংক্রান্ত একটি তালিকাও শেয়ার করেন তিনি। এই একই তালিকা টুইট করেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।
অন্যদিকে, তৃণমূল যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য ২০১৫ সালে তথাগত রায়ের ফেসবুক পোস্টের একটু স্ক্রিনশট শেয়ার করেন। এই স্ক্রিনশটে তথাগত রায়কে কৌশিক চন্দের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে। এরপরই এই মামলার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের তরফে।
আরও পড়ুন- রিপাবলিক টিভিতে ফিরছেন অর্ণব গোস্বামী, জাতির উদ্দেশ্যে দিলেন বিশেষ বার্তা
এই বিষয়ে বিজেপির দাবী, বিচারপতি হওয়ার আগে কৌশিক চন্দ একজন আইজীবী ছিলেন। সেই সময় কোনও বিজেপি অনুষ্ঠানে গিয়ে থাকলে তা আলাদা বিষয়। বিচারপতি হওয়ার পর কোনও অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেননি। এরপর এই ঘটনা কোনদিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।





