আগামীকাল ৬ মার্চ ফের বঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বারাসাতে তাঁর সভায় যাওয়ার কথা সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের। কিন্তু সেই সভায় যাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে টানাপড়েন। নির্যাতিতারা যাতে সভায় না যেতে পারেন, সেই জন্য তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করলেন সন্দেশখালির মহিলারা।
প্রায় দু’মাস ধরে খবরের শিরোনামে রয়েছে সন্দেশখালি। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা জোর করে তাদের জমি, বাড়ি দখল করছে। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদদের বিরুদ্ধে মহিলাদের শ্লী’ল’তা’হা’নি, নারী নির্যাতন, ধ’র্ষ’ণে’র অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আপাতত গ্রেফতার করা হয়েছে শাহজাহান, উত্তম সর্দার, শিবু হাজরাদের।
নিজেদের উপর অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে রাজ্যপাল, মহিলা কমিশনের কাছে ক্ষোভ উগড়ে দেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সঙ্গে দেখা করতে পারেন তারা। বিজেপির তরফে এমন উদ্যোগই নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল বুধবার ৬ মার্চ বারাসাতে সভা করবেন মোদী। সেই সভাতেই সন্দেশখালির ৫ নির্যাতিতার যোগ দেওয়ার কথা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজেদের অভিযোগ রাখবেন তারা। কিন্তু সেখানেও আসছে বাধা।
সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের অভিযোগ, তাদের এই সভায় যাওয়ায় বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাদের সাফ জবাব, তারা সভায় যাবেই। এক নির্যাতিতা বলেন, “আমার ইচ্ছা অবশ্যই রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ডাকলেও যাব। প্রধানমন্ত্রী ডাকলেও যাব। কিছু লোক সমস্যা তৈরি করছে। ওরা বললেও যাব। না বললেও যাব”।
আরও এক নির্যাতিতা জানালেন, “ওরা বারণ করলেও যাব। আমাদের বারণ করবে কেন? চাপ এলেও যাব। এখানে কী কী হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে বলব”। গেরুয়া শিবিরের দাবী, তাদের পরিকল্পনা বানচাল করতে চাইছে তৃণমূল।
তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ ঘাসফুল শিবির। এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলছেন, “এখন যদি বিজেপি-র লোকজন ভয় দেখান যে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যেতে হবে। চাপ দেন। তাহলে ওনারা যাবেন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই”।






