কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লি অভিযান করেছিল তৃণমূল। এমনকি, রাজভবনের সামনে ধর্নাও দেয় ঘাসফুল শিবির। গত ৯ অক্টোবর রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সেই ধর্নার ইতি টেনেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি এও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে ১ নভেম্বর থেকে ফের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলা হবে।
রাজ্যপালের সৌজন্যতার প্রশংসা করে কেন্দ্র সরকারকে হুঁশিয়ারি শানিয়ে অভিষেক সেই সময় বলেছিলেন, “২ মাস পর ৫০ হাজার লোক যাবে দিল্লিতে। পারলে আটকে দেখিও। ট্রেলারটা দেখালাম। পিকচার আভি বাকি হ্যায়”।
এবার শোনা যাচ্ছে, বাংলায় উৎসব শেষ হলেই ফের কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। আগামী বছর লোকসভা ভোট। এর আগে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ফের একবার দিল্লি অভিযান করবে ঘাসফুল শিবির।
লক্ষ্মী পুজোর পর অর্থাৎ ১ নভেম্বর থেকে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা এলাকায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিবাদে আরও অনেক বেশি মানুষকে যোগ করাতে চাইছে ঘাসফুল শিবির।
এই প্রস্তুতি নিয়ে দলের এক নেতার কথায়, “অভিষেকের নেতৃত্বে গত ২ ও ৩ অক্টোবর আমাদের দিল্লি অভিযানের জেরে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বর রীতিমতো ল্যাজেগোবরে অবস্থা হয়েছিল। তাই দিল্লি ছেড়ে বাংলায় এসে সাংবাদিক বৈঠক করতে হয়েছে ওদের মন্ত্রীকে (সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি)। এবার আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকবেন স্বয়ং নেত্রী। বঞ্চনার প্রতিবাদ আরও তীব্রতর করতে তাই জেলায় জেলায় আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করা হচ্ছে”।





