সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিই ভোটের ময়দানে লড়াইতে নেমেছে। শাসক বনাম বিরোধীদের সংঘাত তো জারি রয়েছেই। একদিকে তৃণমূল চেষ্টায় রয়েছে পঞ্চায়েতে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার আর অন্যদিকে সমস্ত বিরোধী দলগুলিই চেষ্টা চালাচ্ছে পঞ্চায়েত জয়ের। এরই মধ্যে ঘটে গেল এক ঘটনা।
বিরোধী দলের মিছিলে হাঁটার জন্য এবার নিজের ছেলের হাতেই মার খেলের এক বৃদ্ধা। তাঁর ছেলে তৃণমূল নেতা নামেই পরিচিত। বিরোধীদের মিছিলে মা যোগ দিয়েছেন বলে মা-কে মারধরের অভিযোগ উঠল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমে।
ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের মাড়গ্রাম থানা সংলগ্ন গোপালপুর এলাকায়। জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি ওই এলাকায় একটি মিছিল করে বামেরা। সেই মিছিলেই যোগ দিয়ে হেঁটেছিলেন শিখা লেট নামের এক বৃদ্ধা। কিন্তু এর জন্য যে তাঁকে এত বড় দাম চোকাতে হবে, তা হয়ত তিনি স্বপ্নেও কল্পনা করেন নি। বামেদের মিছিলে হাঁটার ‘অপরাধে’ মা-কে মারধর করলেন তৃণমূল নেতা।
জানা গিয়েছে, শিখাদেবীর ছেলে বিধান লেট রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লক অন্তর্গত গোপালপুরের তৃণমূল কর্মী। মা বামেদের মিছিলে হেঁটেছেন শুনে মা-কে গলা টিপে অত্যাচার করেন তিনি। মারধরও করেন বলে অভিযোগ। ওই বৃদ্ধাকে পরবর্তীতে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ওই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে শিখা লেট বলেন, “আমার দুইজন ছেলে। বড় ছেলে তৃণমূল কর্মী। কয়েকদিন আগে বামেদের মিছিলে হাঁটতে গিয়েছিলাম। তারপর ছোট ছেলের বাড়িতে থাকার পর গতকাল বড়র বাড়িতে ফিরে আসি। তবে এরপর আচমকাই সে আমাকে মারধর করে। কোমর এবং পিঠে প্রচণ্ড ব্যথা আমার”। তবে শুধু বামেদের মিছিলে হাঁটার জন্যই নয়, এর আগেও তাঁর ছেলে সম্পত্তির বেশ কয়েকবার তাঁর গায়ে হাত তুলেছেন বলে জানান শিখাদেবী।





