পুরসভা থেকে বাড়ি ফেরার সময় আক্রান্ত হয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমকে হামলা থেকে বাঁচাতে গিয়েই আক্রান্ত হন তিনি। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মৃত্যু হয় অশোকের। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার বর্ধমানের খালাসিপাড়ায়।
সেই দলীয় কর্মী অশোক মাঝির মৃত্যুর ঘটনায় এবার গ্রেফতার করা হল জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশঙ্কর ঘোষকে। শক্তিগড় থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের স্পেশাল অপারেশন টিম। তিনি তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেও এলাকায় পরিচিত।
আরও পড়ুন- ভুয়ো আইনজীবীর পরিচয়, লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিলেন কলকাতার বিজেপি নেত্রী, গ্রেফতার পুলিশের
এই শিবশঙ্করের গ্রেফতারের জেরে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে ঘাসফুল শিবির। তবে তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, আইন আইনের পথেই চলবে। তাদের এও দাবী যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে এই খুন হয়নি। কোনও পারিবারিক বিবাদ বা ব্যক্তিগত কারণে এই ঘটনা বলে দাবী তৃণমূলের।
তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেদিনের হামলার মূল লক্ষ্য কিন্তু ছিলেন আসলে প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম। তিনি জানান, অভিযুক্তরা সকলেই বিধায়ক খোকন দাস ও তৃণমূল নেতা শিবশঙ্কর ঘোষের অনুগামী।
এই ঘটনার পরই ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মৃত অশোক মাঝির স্ত্রী। সেই ভিত্তিতে বুধবার পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে। এরপর আজ, বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় শিবশঙ্কর ঘোষকে।
আরও পড়ুন- উপনির্বাচন না করার ছক বিজেপির, বাধ্য হয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল
এই গোটা ঘটনায় তৃণমূলকে তোপ দাগতে ছাড়ে নি বিজেপি। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এই বিষয়ে বলেন, “এটা ওদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আমরা জানতাম খেলা হবে। আমাদের পাঁচজন কর্মী শহিদ হয়েছেন। এরপর ওদেরও শহিদ হওয়া শুরু হয়েছে। তবে আমাদের প্রার্থনা আর কোনও মায়ের কোল যেন খালি না হয়”। তবে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে শিবশঙ্কর ঘোষের তরফে।





