আজ রাজ্যে ষষ্ঠ দফার ভোট। এদিন ফের ভোটকে ঘিরে উত্তাল বাংলা। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে নানান বিক্ষোভের খবর। এরি মধ্যে আউশগ্রাম থেকে এল পুলিশকে হুমকি শানানোর খবর। অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে। এদিন ভোটের আবহেই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান তৃণমূল নেতা অরূপ মিদ্যা। বচসা চলাকালীনই তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তিনদিন পর আমার সরকার আসবে, আপনাকে তখন কাজ করতে হবে। তখন আপনাকে দেখে নেব। আমি চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি। আপনি কত বড় অফিসার হয়েছেন আর আমি কত বড় নেতা দেখব”।
এখানেই শেষ নয়, শীতলকুচির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ওই তৃণমূল নেতা বলেন, “শীতলকুচি করার ইচ্ছা আছে কি! খুব সাবধান কথাবার্তা বলবেন, ধমকাবেন না, চমকাবেন না”। জানা গিয়েছে, আউশগ্রামের ভাল্কি অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি অরূপ মিদ্যা। তাঁর অভিযোগ, গ্রামে ভোট মানে উৎসব। এটাই এখানে বরাবর হয়ে এসেছে। কিন্তু, পুলিশ অহেতুক গ্রামবাসীর উপর চাপ তৈরি করছে। এদিন, ১৫৩ নম্বর বুথের সামনে জমায়েত ছিল। পুলিশ জমায়েত সরাতে গেলে তৃণমূল নেতা অরূপ মিদ্যা পুলিশের সঙ্গে বির্তকে জড়িয়ে পড়েন। পূর্ব বর্ধমানের প্রতাপপুর ডাঙাপাড়া হাইস্কুলের বুথের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন- সকাল সকাল ভোট যুদ্ধে সামিল মুকুল রায়, কাঁচরাপাড়ায় ভোট দিলেন বিজেপি প্রার্থী
পরে ওই তৃণমূল নেতা পালটা বলেন, “হুমকি দিইনি আমরা। নিশ্চয়ই কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমরা বলছি, মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। আমরা গোলমাল করলে অভিযোগ করুন। পুলিশ মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনী বরং ভালো ব্যবহার করছে”।
আরও পড়ুন- বিজেপিতে যোগ দিয়ে টাকা নিয়েছি? কেউ প্রমাণ করে দেখাক, কান কেটে ফেলে দেব! অকপটে
এদিকে ষষ্ঠ দফার ভোট শুরু হতেই রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে উত্তেজনা ছড়ানোর খবর উঠে এসেছে। এদিন কাঁচরাপারায় তৃণমূল নেতাকে মারধরের খবরও এসেছে। মারধরের চোটে মাথা ফেটেছে তাঁর। এছাড়াও, চোপড়ায় গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে।





