TMC Leader Warned about Lakshmir Bhandar: লোকসভা নির্বাচনে যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারই তৃণমূলের জন্য মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে কাজ করেছে, তা বলাই বাহুল্য। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জেরেই যে মহিলা ভোট বাক্স ভরেছে তৃণমূলের, তা বেশ স্পষ্ট। আর একথা স্বীকারও করেছেন অনেক তৃণমূল নেতাই। কিন্তু এবার এক তৃণমূল নেতা যে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন, তাতে শাসক দলের অস্বস্তিতে পড়াটা খুবই স্বাভাবিক। তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়া হবে, এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শাসক দলের নেতা (TMC Leader Warned about Lakshmir Bhandar)।
ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের মাথাভাঙায়। সামনেই ২১শে জুলাই। এই মুহূর্তে জেলায় জেলায় চলছে সেই কর্মসূচির প্রস্তুতি। সেই প্রস্তুতি সভা থেকেই এবার হুঁশিয়ারি দিলেন মাথাভাঙা শহর ব্লক তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়ার কথা বললেন তিনি (TMC Leader Warned about Lakshmir Bhandar)।
তৃণমূল নেতার কথায়, “এবারের লোকসভা নির্বাচনে মাথাভাঙ্গা শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে পরাজিত তৃণমূল। সারা বছর তৃণমূলের সঙ্গে থাকা এবং তৃণমূলের সমস্ত সুযোগ সুবিধা নেওয়ার পরেও যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন অবিলম্বে” (TMC Leader Warned about Lakshmir Bhandar)।
তবে এই প্রথমবার নয়, এর আগেও এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা (TMC Leader Warned about Lakshmir Bhandar)। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা আগেই এমন কথাই শোনা গিয়েছে কোচবিহারেরই এক তৃণমূল নেতার মুখে। দিনহাটা ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি দীপক কুমার ভট্টাচার্য গতকাল, রবিবার এক সভা থেকে বলেছিলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-সহ রাজ্য সরকারের সমস্ত সুবিধা পাওয়ার পরও যে জায়গায় লোকে তৃণমূলকে ভোট দেয়নি সেখানে কিছু লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অন্তত আমাদের কেটে দেওয়া দরকার। এটা বোঝানোর দরকার আছে, এই টাকাটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছেন, রাজ্য সরকার দিচ্ছে, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার দিচ্ছে। এটা নরেন্দ্র মোদির বাবার টাকা নয়। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের টাকা। সেই টাকাটা আপনাদের দিচ্ছি এটা বুঝিয়ে দিতে হবে”।
তৃণমূল নেতাদের এহেন মন্তব্যে তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধীরা (TMC Leader Warned about Lakshmir Bhandar)। কোচবিহার জেলা বিজেপির সম্পাদক বিরাজ বোস এই প্রসঙ্গে বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার হোক বা যে কোন প্রকল্পই হোক বা অন্য কোনও প্রকল্প, সবই চলে করদাতার টাকায়। এটা তৃণমূলের পৈতৃক টাকা নয়। করের টাকায় প্রকল্প চালিয়ে ভোট চাইতে পারে একমাত্র তৃণমূলই। উলটে তারা আবার বৈষম্য করার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল যা করছে তা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক”।





