দম্পতিকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে চারমাস ফেরার, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অবশেষে আদালতে হাজিরা তৃণমূল নেতার

প্রায় চারমাস ধরে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজিরা দিলেন যুব তৃণমূল জেলা সভাপতি তথা জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। এক দম্পতির আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এদিন তৃণমূল নেতার আবেদন শোনেন নি জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের বিচারক।

গত ১ ফেব্রুয়ারি জলপাইগুড়ির পাণ্ডাপাড়ার বাসিন্দা ভট্টাচার্য দম্পতি আত্মহত্যা করেন। তাদের আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এই মামলাতেই গত ১৬ জুন থেকে ফেরার ছিলেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টে আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন সৈকত। কিন্তু তাঁর সেই  আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ীই আজ, সোমবার জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজিরা দেন তৃণমূল নেতা।

এদিন সকালে প্রথমে জেলা বিচারকের এজলাসে হাজিরা দেন সৈকত চট্টোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই বিচারকের কাছে উপস্থিত হন তিনি। জানান যে তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন। কিন্তু এদিন সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন শোনেন নি জলপাইগুড়ির জেলা জজ অরুণকিরণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন জেলা বিচারক জানান যে তাঁর এই মামলা শোনার কোনও এক্তিয়ার নেই। সৈকতকে সিজেএম আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়। বারবার বলা সত্ত্বেও তৃণমূল নেতার আবেদন শোনেননি জেলা বিচারক। সৈকতের নামে আগেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে সিজেএম আদালত। এমন আবহে সৈকত আদৌ জামিন পাবেন কী না, তা বেশ ধোঁয়াশা রয়েছে।

RELATED Articles