তৃণমূলেরই একাধিক বিধায়কের উপর বেজায় চটলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। শীতকালীন অধিবেশনে বিধায়করা নিজেদের মর্জি অনুযায়ী অধিবেশনে আসাযাওয়া করছেন, আর অনেকেই আবার অধিবেশনে এসে শুধু বসেই থাকেন, এমন নানান বিধায়কদের প্রতি ক্ষুব্ধ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এবার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে খবর।
গতকাল, বুধবার ছিল এই বছরের বিধানসভার অধিবেশনের শেষ দিন। এই বছরে মোট ৪০ দিন অধিবেশন হয়েছে বিধানসভায়। আর সেখানে তৃণমূল বিধায়কদের পারফরম্যান্স খুবই খারাপ। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিধানসভায় এসে শুধুমাত্র সই করে চলে গেলেই হবে না। উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখতে হবে বিধায়কদের।
তবে তেমনটা হচ্ছে না বলেই সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, গত এক বছরে যতবার অধিবেশন হয়েছে, তাতে একদিনের জন্যও নিজের কেন্দ্রের মানুষের কোনও সমস্যা বা দাবী নিয়ে কোনও বক্তব্য রাখেন নি অনেক বিধায়কই। এদের মধ্যে রয়েছেন দশবারের বিধায়ক ইসলামপুরের বর্ষীয়ান নেতা আবদুল করিম চৌধুরীকে। সাবিত্রী মিত্র, চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী, গিয়াসুদ্দিন মোল্লা, গুলশন মল্লিক, পরেশ পাল, সুদীপ্ত রায়, তপন দাশগুপ্ত, দুলাল দাস ও আরও অনেকে।। এমনকি কাঞ্চন মল্লিক, সোহম চক্রবর্তী, রত্না চট্টোপাধ্যায়, সৌমিক হোসেন, বিদেশ বোস, বিধান উপাধ্যায়, বিবেক গুপ্তা, ঊষারাণি মণ্ডল–সহ একাধিক বিধায়কদের বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে কোনও কথা বলতে দেখা যায়নি।
সেই কারণে এইসব বিধায়কদের উপর বেজায় ক্ষুব্ধ পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিধানসভার অধিবেশনে কিছু বিধায়কের পারফরম্যান্স খুব ভাল। আবার বেশ কয়েকজন আছেন, যাঁরা কোনও বক্তব্যই রাখেননি। এই বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলা হবে”।
জানা গিয়েছে, এই সমস্ত বিধায়কদের পারফরম্যান্স নিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রিপোর্ট দিতে পারেন। এমনটা যদি হয়, তাহলে যে অধিকাংশ বিধায়কই প্রশ্নের মুখে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য। এর উপর আবার ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাওয়ার ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে। এর ফলে যে ত্রিননুল বিধায়করা এখন বেশ চাপের মধ্যে, তা বলাই বাহুল্য।





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!