‘তুই বাঁচবি না…’, সৌগতর পর এবার প্রাণনাশের হুমকির ফোন এল মদনের কাছে, তৃণমূল নেতারাই কেন টার্গেট?

Madan Mitra also Got Death Threat Call: এর আগে ফোন এসেছিল দমদমের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ের কাছে। আর এবার ফোন এল কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের কাছে। নেপথ্যে সেই আড়িয়াদহ কাণ্ড। সৌগতর মতোই মদনকেও ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ (Madan Mitra also Got Death Threat Call)। এই ঘটনায় তিনি অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান মদন মিত্র।

আড়িয়াদহের ত্রাস ‘জয়ন্ত সিং’কে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এরপরই হুমকির ফোন এসেছিল তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের কাছে। অভিযোগ, গত পরশু রাতে সৌগত রায়কে ফোন করে বলা হয়, “গভীর রাতে ফোন আসে। ধরতেই ওপাশ থেকে খুব খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। হিন্দিতে বলে, তুই জয়ন্ত সিংকে না ছাড়ালে গুলি করব”।

এবার এমনই ফোন এল মদন মিত্রের কাছেও। মদন জানান, “আমার কাছে রাত ১২টা ১৯ নাগাদ একটা ফোন আসে। মদন মিত্র আছেন। তুই বাঁচবি না। কামারহাটিকাণ্ড নিয়ে মুখ খুলেছিস। তোকে গুলি করে দেব। গুলি খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হ। বারবার ঘুরে ফিরে ফোনটা আসছে। রাত ১২টার পর থেকে আসছে। যখন নেশা ফেটে যাচ্ছে ফোন আসা বন্ধ। ওদের বক্তব্যই হচ্ছে মদন মিত্রকে গুলি করে মেরে দেব” (Madan Mitra also Got Death Threat Call)

জয়ন্ত সিং প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার কথা টেনেছিলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। সৌগত রায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি (Madan Mitra also Got Death Threat Call)। জয়ন্ত সিং যে তাঁর ঘনিষ্ঠ, জয়ন্তের সঙ্গে যে তাঁর ছবি ভাইরাল হয়েছে, সেই প্রসঙ্গ কার্যত উড়িয়ে দিয়ে মদন বলেছিলেন, “এরকম গুন্ডামি দেখলে পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ বলে সৌগত রায়কে বলুন। ওনাকে (সৌগত রায়) বার বার বলেওছি, উনি বলেছেন দেখছি”।

মদনের কথায়, এমন করে কোনও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাঁরও প্রাণ সংশয়ের কথা বলেছিলেন মদন। তৃণমূল বিধায়ক এও বলেন, ‘পুলিশ মারতেও পারে, রাখতেও পারে। পুলিশ পারে না, এমন কোনও কাজ নেই”। আর এবার সত্যিই তাঁর কাছে এল প্রাণনাশের হুমকি (Madan Mitra also Got Death Threat Call)

বলে রাখি, আড়িয়াদহে মা- ছেলে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতারকরা হয় জয়ন্ত সিংকে। এরপর গত সোমবার একটি ভিডিও ভাইরাল হয় যাতে দেখা যায় জয়ন্ত সিং একজনকে আড়িয়াদহ ক্লাবের ভেতরেই চ্যাংদোলা করে উইকেট দিয়ে মারধর করছে। সেই ব্যক্তি তরুণ না তরুণী, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি। সেই ভিডিও নিয়ে শোরগোল পড়তেই জয়ন্তকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। আর এরপর থেকেই তৃণমূল সাংসদ-বিধায়কদের কাছে আসতে শুরু করেছে এই হুমকি ফোন।

আরও অন্যান্য খবর