Bengali Question Paper with Full of Mistake in English Medium School: ‘আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসে না…’, ভবানীপ্রসাদ মজুমদারের এই কবিতাটার সঙ্গে অল্পবিস্তর আমরা সকলেই পরিচিত। দিনদিন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের চল যেভাবে বাড়ছে, বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলি বেশ ধাক্কা খাচ্ছে তো বটেই! কিন্তু শিক্ষা শিক্ষাই হয়, তা যে মাধ্যমেই হোক না কেন! সেটা সমস্যার নয়। কিন্তু সমস্যাটা হল, পশ্চিমবঙ্গে থেকেও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলি যখন বাংলা ভাষাটাকেই উপেক্ষা করে।
নানান ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের বাংলা ভাষাটার উপর তেমন জোর দেওয়া হয় না। কিন্তু যে বাচ্চার বাংলাটাই মাতৃভাষা, সেই ভাষার উপরেই কোনও জ্ঞান থাকে না পড়ুয়াদের। স্কুলই যদি বাংলা ভাষাটাকে গুরুত্ব না দেয়, তাহলে পড়ুয়াদের মধ্যে সেই জ্ঞান তৈরি হবেই বা কী করে! স্কুলের প্রশ্নপত্রেরি যদি বাংলা বানানে হাজারো ভুল থাকে, তাহলে পড়ুয়াদের আর দোষ দিয়ে কী লাভ (Bengali Question Paper with Full of Mistake in English Medium School)। এবার এমনই ঘটনা ঘটল কলকাতার নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে।
স্কুলে ছিল বাংলা পরীক্ষা। কিন্তু সেই বাংলা প্রশ্নপত্র দেখে চক্ষু ছানাবড়া হওয়ার জোগাড়। প্রশ্নপত্রের প্রায় সবকটি প্রশ্নে বাংলা বানানে ভুল। বাংলা শব্দগুলি এমনভাবেই লেখা হয়েছে যাতে চেনা শব্দও অচেনা ঠেকছে। শব্দের অর্থই বোঝা দায়। সেই প্রশ্নপত্র দেখে খুদেরা কীভাবে উত্তর দেবে, তা নিয়ে উঠল বড় প্রশ্ন। সেই প্রশ্নপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই শুরু তুমুল বিতর্ক (Bengali Question Paper with Full of Mistake in English Medium School)।
এই ঘটনাটি ঘটেছে দমদম সেন্ট স্টিফেন্স স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায়। স্কুলের অভিভাবকরা জানাচ্ছেন, বাংলার ওই প্রশ্নপত্রে মোট ২০ নম্বর ছিল। তিনটি প্রশ্ন ছিল প্রশ্নপত্রে। প্রথম প্রশ্নে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভুলে ভরা (Bengali Question Paper with Full of Mistake in English Medium School)। প্রশ্নপত্রে দেখা গিয়েছে, ‘শকুন্তলা’ বানান হয়ে গিয়েছে ‘শকুন্তলা’। প্রত্যেকটা যুক্তাক্ষরই এমনভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে যে তার অর্থ বুঝেই ওঠা সম্ভব হচ্ছে না। এই ঘটনায় অভিভাবকরাও বেশ ক্ষোভ জারি করেন স্কুলের প্রতি। আর এই প্রশ্নপত্র সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই তীব্র নিন্দা করেছে নেটিজেনরা ওই স্কুলের।
এই ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে স্কুলের সচিব সুকল্যাণ হালদার বলেন, “প্রশ্নপত্রে যে ভুল বানান আছে, তা দেখার পরে পরীক্ষার হলেই তা শুধরে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের কোনও সমস্যা হয়নি। যে ডিটিপি অপারেটর প্রশ্ন টাইপ করেছেন, সেখানে কোনও ভুল ছিল। কেন এ রকম ভুল হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে” (Bengali Question Paper with Full of Mistake in English Medium School)।





