বিজেপিকে সমর্থন করায় টোটো চালককে বেধড়ক মারধর, অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

তাঁর অপরাধ তিনি বিজেপিকে সমর্থন করেন। এই ‘অপরাধের’ জেরে টোটো চালক অপূর্ব দাসকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল। অভিযোগ উঠেছে বর্ধমান পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা পূর্ব বর্ধমান জেলার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদের বিরুদ্ধে।

এমনকি, তিনি এমন হুমকিও দিয়েছেন যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলে এর ফল ভালো হবে না। এই ঘটনায় বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে ওই এলাকায়।

আরও পড়ুন- ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আক্রান্তদের ভাষা বুঝতে হচ্ছে সমস্যা, বাঙালি তদন্তকারী এবার সিবিআই-এর দলে

জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহরের লোকো রেল কলোনির বাসিন্দা হলে অপূর্ব দাস। তিনি বিজেপি করেন। আজ, বুধবার সকালে তিনি নিজের টোটো নিয়ে কালনাগেট থেকে স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ৬ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে তাঁর উপর চড়াও হয় কিছু তৃণমূল কর্মী।

টোটোচালকের অভিযোগ ওই তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে। এমনকি, থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করলে তাঁকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এরপর কোনওমতে নিজের টোটো নিয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে ফেরেন বিজেপি কর্মী অপূর্ব দাস।

এই ঘটনায় তিনি দ্বারস্থ হন বর্ধমান থানায়। মহম্মদ সেলিম-সহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তবে নিজের দিকে ওঠা সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে বলে দাবী করেছেন মহম্মদ সেলিম। তাঁর দাবী, এটা কোনও ধরণের রাজনৈতিক ঝামেলা নয়।

আরও পড়ুন- রাস্তার কল থেকে জল নেওয়ার জের, পিটিয়ে খুন করা হল বিজেপি কর্মীকে, কাঠগড়ায় শাসকদল

এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা পালটা অভিযোগ আনেন যে ওই এলাকার এক তরুণীকে কয়েকদিন ধরে উত্যক্ত করছিলেন অপূর্ব দাস। মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। মহম্মদ সেলিম বলেন, “এই বিষয়টি নিয়ে মিটমাট করতে দুই পক্ষই আমার কাছে এসেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে মিটমাট করার চেষ্টা করেছি। অপূর্ব দাস এলাকায় বিজেপি করে। আমরা তাঁকে এই বিষয় নিয়ে সাবধান করেছি মাত্র। আমার বিরুদ্ধে উনি অভিযোগ করেছেন। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক”।

RELATED Articles