TMC Workers Beat BJP Worker: লোকসভা নির্বাচন মিটে গিয়েছে প্রায় দু’মাস হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও ভোট পরবর্তী হিংসা কম হয়নি। ফের হিংসার শিকার এক বিজেপি কর্মী। ওই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল শান্তনু সেনের অনুগামীদের বিরুদ্ধে (TMC Workers Beat BJP Worker)। এমনকি চিকিৎসা করাতে গেলে সেখানেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
এই ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার রাতে সিঁথির বিশ্বনাথ পার্ক সংলগ্ন এলাকায়। আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মীর নাম সন্দীপ ভৌমিক। যুবকের অভিযোগ, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর তাঁকে মারধর করা হয়েছিল এর আগে। সেই ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ জানান। সেই কারণে আবার তাঁকে মারধর করা হয়েছে (TMC Workers Beat BJP Worker)।
ওই যুবক জানান, ঘটনার দিন তিনি বিশ্বনাথ পার্কের কাছে বন্ধুদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চড়াও হয় তাঁর উপর। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় (TMC Workers Beat BJP Worker)। বেশ গুরুতর চোট পান তিনি। চিকিৎসার জন্য তাঁকে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা করা হয়নি বলে অভিযোগ।
এরপর ওই যুবককে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। সেখানেই চিকিৎসা হয় তাঁর। ওই যুবকের কথায়, ভোটের ফল বেরোনোর পর যখন তাঁর উপর হামলা হয়, তিনি সেই সময় সিঁথি থানায় অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এমনকি, পুলিশ কমিশনারকেও অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু থানায় গেলে পুলিশ তাঁর অভিযোগ নেয় নি বলে অভিযোগ করে যুবক। তাঁর কথায়, এভাবেই পাড়ায় পাড়ায় জেসিবি, জয়ন্ত সিংয়ের মতো নেতারা গজিয়ে উঠছে। এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মী বলেন, “শান্তনু সেনের অনুগামী অমিত ঘোষ, কল্লোল মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমাকে মারধর করা হয়েছে। এর আগেও আমাকে মারধর করা হয়েছিল। তখন আমি থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলাম। যেহেতু আমি থানায় অভিযোগ করেছি, তাই ওরা আবার আমাকে মারধর করেছে” (TMC Workers Beat BJP Worker)।
এই বিষয়ে শান্তনু সেন জানান, কোন সন্দীপের কথা বলা হচ্ছে, তা তিনি জানেন না। তবে এক সন্দীপকে তিনি চেনেন যার বাবা তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। শান্তনু সেনের কথায়, যদি সেই সন্দীপের কথা হয়ে থাকে, সেই যুবক মদখোর, গাঁজাখোর। থানায় গেলেই বোঝা যাবে যে তাঁর বিরুদ্ধে অসামাজিক কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে পুলিশ অনেকবার গ্রেফতারও করেছে। শান্তনুর কথায়, সেই যুবককে যদি বিজেপি নিজেদের কর্মী বলে দাবী করে, তাহলে বিজেপির দশা বেশ ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছে।





