মর্মান্তিক! শো চলাকালীনই লুটিয়ে পড়লেন মঞ্চে, অস্বাভাবিক মৃ’ত্যু নৃত্যশিল্পী, কারণকে ঘিরে ধোঁয়াশা

চলছিল নৃত্যানুষ্ঠান। কিন্তু আচমকাই ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। মঞ্চেই অস্বাভাবিক মৃ’ত্যু এক নৃত্যশিল্পীর। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। মৃ’ত্যুর কারণকে ঘিরে ধোঁয়াশা। কারোর কথায় বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মৃ’ত্যু হয়েছে ওই শিল্পীর, তো কেউ আবার বলছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যু হয়েছে তাঁর। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই জানা যাবে আসল কারণ।

কী ঘটেছিল ঘটনাটি?

১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ভাটপাড়া সবুজ সংঘ মাঠে ভাটপাড়া উৎসব। গতকাল, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছিল নৃত্যানুষ্ঠান। সেখানে একটি দলের সঙ্গে নাচের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন সজল বারুই নামের এক যুবক। নাচ শেষ হওয়ার পরই আচমকাই অচৈতন্য হয়ে পড়েন তিনি। মঞ্চের নীচে পড়ে যান সজল।

তাঁকে তড়িঘড়ি সকলে মিলে ধরে নিয়ে যান ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃ’ত বলে ঘোষণা করেন। এই বিষয়টি জানাজানি হতেই আয়োজকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনার গাফিলতি নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। যুবকের পরিবারের দাবী, বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়েই মৃ’ত্যু হয়েছে সজলের।  

কী দাবী উৎসবের উদ্যোক্তার?

এই ঘটনায় ভাটপাড়া পৌরসভার পৌর পারিষদ সদস্য তথা ভাটপাড়া উৎসবের প্রধান উদ্যোক্তা অমিত গুপ্তা বলেন, “প্রথমে দুটি নাচের দল অনুষ্ঠান করে। তৃতীয় দলের সঙ্গে নাচের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সজল বাড়ুই। নাচ শেষ করে মঞ্চ থেকে নামার সময় তিনি নিচে পড়ে যান। অনেকেই বিদ্যুৎপৃষ্ট মৃত্যুর কথা বলছেন। এটা তদন্তের বিষয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই এটা পরিষ্কার হবে। আমরা পরিবারের পাশে আছি। ময়নাতদন্ত করলে নৃত্য শিল্পীর কিভাবে মৃত্যু তা জানা যাবে। আপাতত অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে”।

তবে প্রশ্ন হচ্ছে, স্টেজে পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন সজল। আর তারপরই হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট। কোথাও যদি কোনও তার খোলামুখ অবস্থায় পড়ে থাকে, তাহলে সেক্ষেত্রে দায় কার?

সজল বারুইয়ের সঙ্গেই ছিলেন আরেক শিল্পী। তিনি বলেন, “আমরা পরপর দাঁড়িয়েছিলাম। দুজন কারেন্ট খেয়েছিল। আরেকজন ভেবেছিল, কিছু একটা পায়ে লেগেছে হয়তো, পা সরিয়ে দেন। কিন্তু পুরো কারেন্টটাই সজল খায়। এখানে দায় পুরোপুরি উদ্যোক্তাদেরই”।

RELATED Articles