ভ্যাকসিন নিয়ে আকাল মিটছে না রাজ্যে। রাজ্যের নানান প্রান্তে ভ্যাকসিন না পাওয়া নিয়ে নানান অভিযোগ উঠে আসছে। কোথাও কোথাও ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে চরম হেনস্থা হতে হচ্ছে জনসাধারণকে।
ভ্যাকসিন নিয়ে উত্তর ২৪ পরগণা জেলার অশোকনগরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। ভ্যাকসিন তো জুটলই না, এর পরিবর্তে পুলিশের লাঠিচার্জ খেতে হল জনগণকে, এমনটাই অভিযোগ।
ভ্যাকসিন গ্রহীতাদের অভিযোগ, কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত থাকা সত্ত্বেও পুর স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন দিচ্ছে না। এই কারণে এদিন পথ অবরোধ করেন তারা। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। অবরোধ তোলার জন্য লাঠি চালায় পুলিশ। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন- ভারতের চাপে নতি স্বীকার, ভাঙচুর হওয়া হিন্দু মন্দির সংস্কার করবে পাক সরকার, জানালেন ইমরান
অন্যদিকে পুলিশের দাবী, এই অবরোধের জেরে যানজটের আশঙ্কা ছিল। এই কারণে তারা অবরোধ তুলে নিতে বলেন। কিন্তু তা না শুনে উল্টে পুলিশকেই গালিগালাজ করা শুরু করে জনগণ। এই কারণে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। এর জেরে অশোকনগর থানার এএসআইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও খবর।
শুধু উত্তর ২৪ পরগণাই নয়, শিলিগুড়ি ও দক্ষিণ ২৪ পরগণাতেও ভ্যাকসিনের আকালের এই একই ধরণের চিত্র চোখে পড়েছে। ভ্যাকসিনের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না ভ্যাকসিন। কোথাও মহিলার সঙ্গে বচসায় জড়িয়েছে পুলিশ আবার কোথাও বা লাঠি তুলে পরিস্থিতির সামাল দিয়েছে।
ভ্যাকসিনের এই আকালের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “জনঘনত্ব অনুযায়ী আমরা কম পেয়েছি। তাই লাইন হচ্ছে। ৪০০ পাচ্ছে, লাইনে ১০ হাজার চলে আসছে। তাই পাবলিককেও অনুরোধ করব, দেখে নেবেন কোথায় কত ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। যেরকম পাব, পৌঁছে দেব”।
বর্তমন নিয়ম অনুযায়ী, ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থার থেকে কেন্দ্র সরকার সরাসরি ভ্যাকসিন কেনে। এরপর কেন্দ্র রাজ্য সরকারগুলিকে সেই ভ্যাকসিন দেয়। এই ভ্যাকসিন বণ্টনের দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। বেসরকারি সংস্থার থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হলে টাকা দিয়ে কিনতে হয়।





