পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রান্তে সাদিকাবাদ জেলায় হিন্দু মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় পাক সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন হিন্দুরা। গত বুধবার ভং শরীফ গ্রামে সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। মন্দিরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর থেকে শুরু করে দেবদেবীর মূর্তিও ভেঙে দেয় তারা। এই ঘটনার ভিডিও সামনে আসতেই শুরু হয় প্রবল নিন্দা।
এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি বলেন যে ভাঙচুর হওয়া মন্দির সংস্করণের দায়িত্ব সরকারের। এই বিষয়ে ইমরান খান টুইট করে লেখেন, “গণেশ মন্দিরে হওয়া হামলার তীব্র নিন্দা করছি। আমি আইজি পাঞ্জাবকে নির্দেশ দিয়েছি যে, তিনি যেন সমস্ত দোষীদের গ্রেফতার করে তাঁদের কড়া শাস্তি দেয়। এই মামলা পুলিশ অবহেলা করলে তাঁদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে”।
https://twitter.com/ImranKhanPTI/status/1423280341167398924
হিন্দু মন্দিরে এমন ভাঙচুর চালানোর ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি হিন্দুরা ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের দাবী, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। ভারত সরকারের তরফেও মন্দিরে হওয়া হামলার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।
এই মামলায় পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট পঞ্জাব প্রান্তের মুখ্যসচিব ও ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশকে শুক্রবার আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রধান বিচারক গুলজার আহমেদ এই নির্দেশ জারি করেছেন।
অন্যদিকে, এও জানা গিয়েছে যে সরকারের ভরসায় না থেকেই সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় হিন্দুরা নিজেরাই মন্দির সংস্কারের কাজ শুরু করে দিয়েছে। মন্দিরের ভাঙচুর করা আসবাবপত্র, পাখা, লাইট, ও অন্যান্য জিনিস সবই তারা সারানো শুরু করে দিয়েছেন বলেই খবর।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার