তৃণমূল বিধাসভা নির্বাচনে প্রার্থী পদ দেয়নি। তাই ক্ষোভে শেষমুহূর্তে বিজেপিতে শামিল হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেখানেও সঙ্গী হতাশা। কিন্তু এবার তৃণমূল ছেড়ে আসা সেই কইয়ের ঝাঁককেই রাজ্য কমিটিতে জায়গা দিল বিজেপি। সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ী, সাতগাছিয়ার বিধায়ক সোনালি গুহ, সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার ও বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসকে রাজ্য কমিটিতে স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্য করা হল।
প্রসঙ্গত, এঁরা সকলেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, দীপেন্দু ছাড়া সোনালি-জটু-শীতল, প্রত্যেকেই একাধিকবার তৃণমূলের প্রতীকে বিধায়ক হয়েছিলেন। জটু ২ বার কংগ্রেসের প্রতীকে ও তিন বার জোড়াফুলের চিহ্নে বিধায়ক হয়েছেন। শীতল আবার ১৯৯৬ সালে প্রথমবার কংগ্রেস থেকে বিধায়ক হন। পরে ২০০১, ২০০৬, ২০১১ ও ২০১৬ সালে তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক হন তিনি। আর সোনালি ২০০১ সাল থেকে সাতগাছিয়া কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের বিধায়ক। ২০০১ সালে সোনালির জয়ের আগে এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা জ্যোতি বসু। শুধু তাই নয়, সোনালি ছিলেন মমতার এক সময়ের ছায়াসঙ্গী। এই বছর টিকিট না মেলায় সোনালি-মমতার ৩০ বছরের সম্পর্ক ভেঙে যায়। আর সেই সুযোগে মমতার কাছের নেত্রীকে দলে টানতে দেরি করেননি বিজেপি নেতারা। এবার তাদের সকলকেই সাংগঠনিক পদ দেওয়া হল।
আরও পড়ুন- কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজে অখুশি মমতা, ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে টুইট মুখ্যমন্ত্রীর





