ফেব্রুয়ারি পড়তেই কার্যত রাজ্য থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল শীত। এখন থেকেই কড়া রোদের জেরে অতিষ্ঠ বঙ্গবাসী। গরমের পোশাক অনেকদিন আগেই আলমারিতে তোলা হয়েছে। এখন তো পাখা ছাড়া থাকা দায়। তগে এসবের মধ্যেই ফের হাওয়া বদলের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পূবালী হাওয়ার জেরে জলীয় বাষ্প ঢুকতে পারে রাজ্যে। আর এর জেরে বাড়বে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। বৃষ্টিও হওয়ার সম্ভাবনা রাজ্যে।
আজ, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল, সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৪৯ থেকে ৯৪ শতাংশ। সকালে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী, বুধবার থেকে হাওয়া বদলের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাল হাওয়া অফিস।
বাংলায় পূবালী হাওয়া ঢুকবে আর এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প বাড়বে। ফলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়তে পারে। মার্চের শুরু থেকেই রাজ্যে বেশ বাড়বে তাপমাত্রা। দোলের দিন উষ্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। কলকাতার তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর।
দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের চার জেলা দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, ও জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহবিদরা। উত্তর-পূর্ব বিহার সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। নতুন করে মঙ্গলবার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সম্ভাবনা। তার ফলে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, উত্তরাখণ্ড, হিমাচলপ্রদেশ, কাশ্মীর ভ্যালি ছাড়াও পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গল ও বুধবার দু’দিন কাশ্মীর উপত্যকা ও হিমাচলপ্রদেশে তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে বলে খবর।
দেশের বেশিরভাগ জায়গাতেই এখন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরেই থাকবে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের নানান রাজ্যে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি বেশি থাকবে বলেই জানা যাচ্ছে। আগামী দু-তিনদিনে গুজরাতে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা।





