উমার আগমনে এখন প্রহর গুনছে বঙ্গবাসী। ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। এখন শুধু উমার ঘরে ফেরার পালা। দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষার অবসান হবে আপামর বাঙালির। কিন্তু আবহাওয়ার যেমন মুড সুইং চলছে, তাতে পুজোর আনন্দ মাটি হয়ে যাবে না তো? সে আশঙ্কাও উড়িয়ে দিতে পারছেন না কেউই। পুজোয় বৃষ্টি হবে কী না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।
কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানা যাচ্ছে, বর্তমানে বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন আন্দামান সাগরের উপর ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। তার কারণে মেঘলা আকাশ রয়েছে বাংলার কিছু জেলায়। তবে বুধবার থেকে ফের পরিষ্কার হবে আকাশ। আগামী ২০ তারিখের মধ্যে মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। তা ধীরে ধীরে নিম্নচাপে পরিণত হবে।
হাওয়া অফিসের কথায়, এই নিম্নচাপ ধীরে ধীরে আরও গভীর হবে। এর গতিবিধি যদিও এখনও স্পষ্ট নয়। এই নিম্নচাপ উত্তর তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। পরে তা দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
তবে হাওয়া অফিসের আশ্বাস, পুজোয় ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী রোদ ঝলমলে আবহাওয়া থাকবে। উত্তুরে হাওয়া বইবে। সকাল-সন্ধ্যায় পশ্চিমের জেলাগুলিতে হালকা শিরশিরানি অনুভূত হবে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে নবমী-দশমীতে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। মেঘলা আকাশের পাশাপাশি হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা গিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার থেকেই একটু একটু করে পারদ নামবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। জলীয় বাষ্প কমে যাওয়ায় আগামী চার পাঁচ দিন শুকনো আবহাওয়া থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। বৃহস্পতিবারের পর দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। মেঘমুক্ত পরিস্কার আকাশ থাকবে আগামী কয়েকদিন। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি সামান্য থাকলেও পুজোর পর আর তা থাকবে না।
তবে বর্ষা বিদায় নিলেও আগামী দুই দিন হালকা উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে। ৪৮ ঘণ্টা পর বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকা ছাড়া বাকি অংশে বুধ-বৃহস্পতিবার থেকে শুষ্ক আবহাওয়া।





