আর হাতে গোনা দু-তিন মাসের মধ্যেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। বাংলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করাই এখন কমিশনের মূল লক্ষ্য। রক্তপাতহীন নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে রাজ্য সফরে এসে সরকারি আধিকারিকদের একাধিক নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। অপরাধের তালিকা জমা দেওয়া ছাড়াও বেআইনি অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
আর এবার সেই পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন ঘোষণার একেবারে প্রাকমুহূর্তে দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে গিয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া জানিয়ে এলেন বঙ্গ বিজেপি নেতারা। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নিজেদের সাক্ষাৎ সেরে বেরিয়ে এই বিজেপি নেতা বলেন, ‘রাজ্যে যত বেশি সংখ্যক দফায় ভোটগ্রহণের আবেদন জানিয়েছে বিজেপি। সেই সঙ্গে যে সমস্ত আধিকারিকরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন তাদের অপসারণের দাবিও জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি বুথে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের দাবিও তুলেছে বিজেপি।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে হবে বলে বেশ কয়েক বছর ধরেই দাবি করে আসছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা।
বিহার মডেলকে অনুসরণ করেই করোনা আবহে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ইতিমধ্যেই বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ১ লক্ষ বুথের জন্য ইতিমধ্যে ১,০০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী চেয়ে রেখেছে কমিশন। বাহিনী পেতে কোনও সমস্যা হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।





