বাঁধ মেরামতিতে কি গুরুত্ব দেয় না? টোল পায় তবু রাস্তা মেরামতি করা হয় না, নবান্নে বৈঠকে বললেন মমতা

আজ এবং কাল বিভিন্ন জেলার আধিকারিকদের সাথে ভার্চুয়াল প্রশাসনিক আলোচনায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন জেলার কি হাল হকিকত তা জানতেই নবান্ন সভাঘরে এই বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ, সোমবার বেলা ৩টেয় নবান্ন সভাঘরে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। আর কাল পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার মতো ৫টি জেলার আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করবেন তিনি।

আজ বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের পরে মেরামতি হয়েছে ঠিকই কিন্তু তারপরেও বাঁধ ভাঙছে। এরম কেন? তাহলে কি কোনো গুরুত্ব না দিয়েই কাজ করা হচ্ছে?’ এছাড়া তিনি আমফান ক্ষতিগ্রস্তদের কথা প্রসঙ্গে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ত্রাণের টাকা দিয়ে দিতে হবে। তার জন্য নতুন তালিকা বানাতে হবে।’

পাশাপাশি করোনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘উঃ ২৪ পরগনা, হাওড়ায় করোনায় মৃত্যুর হার বেশি। সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হবে। এবং মাস্ক পরা নিয়ে মানুষকে আরও বেশি সচেতন করতে হবে।’

ইতিমধ্যেই রাজ্যে নিম্নচাপের প্রভাবে ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছে। তাই এবার বৃষ্টি, বন্যা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঝাড়খণ্ড থেকে ডিভিসির জল ছাড়লে কী করা হবে এই বিষয়ে ভাবতে হবে। কারণ ডিভিসি থেকে জল ছাড়লে তা হাসপাতালেও ঢুকতে পারে। ফলে আগে থেকে ব্যবস্থা নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন , ‘ অন্য রাজ্যে বন্যার সমস্যা নেই যা এখানে আছে। দীর্ঘদিন ড্রেজিং না করায় এই সমস্যা হয়েছে। রাজ্যে জল ধরো জল ভরো প্রকল্পের আওতায় ৩ লক্ষ পুকুর কাটা হয়েছে। সেগুলির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া যেসব জেলায় বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে, সেই জায়গাও ঘুরে ঘুরে দেখতে হবে।’

অন্যদিকে রাজ্যের রাস্তাঘাট নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ‘বর্ষা নামতেই রাস্তার এতো বেহাল দশা কেন? নবান্নে আসার পথে দেখলাম একটা রাস্তায় পিচ উঠে গেছে। এই বিষয়ে বলতেই বলা হচ্ছে, রাজ্যকে ২০০ কোটি টাকা দিতে হবে। অথচ এইচআরবিসি তো টোল পায়। তবু কেন রাস্তাঘাট মেরামতি করা হচ্ছে না?’ তবে রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে বেশ খুশি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘১০০ দিনের কাজ মোটামুটি ভাল হচ্ছে।

আরও অন্যান্য খবর