আজ, ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, শিয়ালদহ আদালতে আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হবে। এই মামলায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় প্রধান অভিযুক্ত। ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের চারতলায় সেমিনার রুমে ওই তরুণী চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সঞ্জয় রায়কে ১০ আগস্ট গ্রেফতার করা হয় এবং এরপরেই সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছিল।
মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই বিচার আসবে গোটা দেশের সামনে। আজ শনিবার দুপুরেই আরজি কর মামলার রায় ঘোষণা হতে চলেছে। কর্তব্যরত অবস্থায় চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের কি সাজা হয় সেদিকেই তাকিয়ে আজ গোটা রাজ্য। শুধু রাজ্যই নয়, আদালতের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে দেশও। ইতিমধ্যে যদিও ধৃত সিভিল ভলান্টিয়ারের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছে সিবিআই।
রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শিয়ালদহ আদালতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আদালত চত্বরের চারপাশে গার্ডরেল দিয়ে ঘেরা হয়েছে এবং সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে ২০০ কনস্টেবল ও ৩ জন ডিসি পদমর্যাদার অফিসার। সঞ্জয়কে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে আদালতে আনার পথেও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিচারক অনির্বাণ দাসের হাতেই অভয়ার বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই।
কলকাতার রাজপথ চলে যায় আন্দোলনকারীদের দখলে। সবার মুখে একটা দাবি ছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস…ইউ ডিমান্ড জাস্টিস। এই আন্দোলন শুরু বাংলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলা না। দেশের বিভিন্ন কোনায় চিকিৎসক থেকে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে রাস্তায় নেমেছিলেন। এমনকি প্রবাসে বসবাসকারী বহু বাঙ্গালি একই ভাবে বিচার চেয়ে পথে নেমেছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলা গ্রহণ করে। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।
আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় ইনিংসে শীতের সঙ্গে হাত মেলালো পশ্চিমী ঝঞ্ঝা! এবার জাঁকিয়ে পড়বে ঠান্ডা!
এই মামলায় বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ১১ নভেম্বর ২০২৪, এবং ৯ জানুয়ারি ২০২৫-এ সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে বিচারপর্ব শেষ হয়। আজ রায় ঘোষণা করা হবে, এবং পরবর্তী দিনে সাজা ঘোষণা করা হতে পারে। সারা দেশের নজর এখন এই রায়ের দিকে। গোটা দেশের একটাই দাবি শাস্তি। যা হবে সারা জাগানো।





