১৭ই জানুয়ারী, ২০২৫-এ, রায়বেরেলির ৩০ বছর বয়সী সম্পত্তি ব্যবসায়ী গীতা শর্মাকে লখনউয়ের পিজিআই এলাকায় রাস্তার ধারে আহত এবং অচেতন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। তাকে অবিলম্বে বৃন্দাবন যোজনার এপেক্স ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গীতা গিরিজা শঙ্করের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। তার ভাই, লালচাঁদ, শঙ্করকে ১ কোটির জীবন বীমা পলিসি দাবি করার জন্য তাকে হত্যা করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন, যেখানে শঙ্করই একমাত্র মনোনীত ছিলেন। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে গীতার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন প্রকাশ করা হয়েছে, যা অত্যাচার সন্দেহকে সমর্থন করে।
পুলিশ গিরিজা শঙ্করের বিরুদ্ধে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে এবং সক্রিয়ভাবে মামলাটি তদন্ত করছে। ফরেনসিক দলগুলি প্রমাণ সংগ্রহ করছে, এবং কর্তৃপক্ষ গীতা ও শঙ্করের সম্পর্কের গতিশীলতা বোঝার জন্য প্রতিবেশী এবং পরিচিতদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। এই ঘটনাটি গার্হস্থ্য সহিংসতা এবং লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে ব্যক্তিদের নিরাপত্তা সম্পর্কে আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।
উল্লেখ্য, এই ঘটনা পুনরায় যেন মনে করিয়ে দেয় এরকমই এক মর্মান্তিক ঘটনা যা ২০২২ সালের ১৮ই মে ঘটেছিল। বছর ২৮ এর আফতাব পুনাওয়ালা খুন করেছিল তার লিভ ইন পার্টনার ২৬ বছর বয়সী শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে। শুধু খুনি করেনি বরং সেই দেহকে ৩৫ টি টুকরো করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করেছিল সে। সব থেকে বেশি বিশ্বাস করে যে মেয়ে মানুষটির সঙ্গে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্রদ্ধা, সেই মানুষই তার জীবন কেড়ে নিয়ে তার দেহকে ৩৫ টি টুকরোতে ভাগ করে তারই কেনা ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখবে বলে স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি হয়তো শ্রদ্ধা।
আরও পড়ুনঃ পাঁচ মাসের মাথায় কি সুবিচার পাবে অভয়া? গোটা দেশের নজর বিচারকের দিকে!
শ্রদ্ধা ওয়ালকারই নন, পিংকি প্রজাপতিকে ও খুন হতে হয়েছিল তার প্রেমিকের হাতে। মধ্যপ্রদেশের ভোপাল এর ঘটনা এটি, লিভিং পার্টনার কে খুন করে জঙ্গলে দেহ ফেলে আসে অভিযুক্ত সঞ্জয় পাতিদার। মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস এলাকায় তারা একটি বাড়ি ভাড়া করে থাকতেন। সেই বাড়িরই ফ্রিজ থেকে পাওয়া গেল মহিলার পচাগলা দেহ। গত ১০ই জানুয়ারি মহিলার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ, বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে গত বছরের জুন মাসেই মহিলাকে হত্যা করেছিলেন অভিযুক্ত। বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও সঞ্জয় পিঙ্কির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায় এরপরে পিংকি বিয়ের জন্য চাপ দিলেই তাকে খুনের সিদ্ধান্ত নেন সঞ্জয়।






