আজ মহাদশমী। চারদিন মর্ত্যে কাটানোর পর আজ উমার ফের কৈলাসে ফেরার পালা। দেবী দুর্গার বিদায়ের জন্যই যেন মুখভার করেছে আকাশও। সকাল থেকেই আকাশে কালো মেঘ। ঘূর্ণিঝড় হামুনের জেরে দশমী তো বটেই, আগামীকাল একাদশীর দিনও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে অতি গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় হামুনে পরিণত হয়েছে। সেই ঘূর্ণিঝড় ঘণ্টায় ১৩ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হচ্ছে উত্তর-পূর্ব দিকে অর্থাৎ বাংলাদেশের দিকে। এই মুহূর্তে এই ঘূর্ণিঝড়ের দূরত্ব ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ২৫০ কিলোমিটার। দিঘা থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এই নিম্নচাপ রয়েছে।
জানা যাচ্ছে, এই নিম্নচাপের জেরেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। একাদশীর সন্ধ্যের পর এই দুর্যোগের হাত থেকে মিলবে মুক্তি। গতকাল, সোমবার অর্থাৎ নবমীর দিন বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই ঠাকুর দর্শন করেছেন দর্শনার্থীরা।
তবে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবে, এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সরাসরি বাংলায় পড়বে না। কিন্তু হামুনের পরোক্ষ প্রভাবে দশমী থেকেই বাড়বে বৃষ্টি। অন্যদিকে আবার আরব সাগরের উপর যে ঘূর্ণিঝড় তেজ তৈরি হয়েছে, এর প্রভাবে আজ, দশমী থেকে দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। আজ, মঙ্গলবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতেও মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।





