এক শিক্ষিকাকে ফাঁসিকাঠে ঝোলানোর সাজা শোনাল আদালত। এক প্রাথমিক স্কুলের ২৫ জন পড়ুয়াকে খাবারে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানোর অভিযোগ উঠেছিল ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে একজন শিশুর মৃত্যুও হয়েছিল।
ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে চীনের হেনান প্রদেশের এক প্রাথমিক স্কুলে। সেই স্কুলে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ে ২৫ জন পড়ুয়া। কী ঘটেছে, তার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এরপরই তারা জানতে পারে, ওই স্কুলের এক শিক্ষিকা বাচ্চাদের খাবারে বিষ মিশিয়ে দিয়েছিল। ওই শিক্ষিকা গ্রেফতার করে পুলিশ। শিক্ষিকার নাম ওয়াং উন।
এই ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। কীভাবে স্কুলে এমন বিষক্রিয়া ঘটল, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়। প্রায় এক বছর ধরে তদন্ত চলার পর ওয়াং উনের বিরুদ্ধে খাবারে বিষ মেশানোর প্রমাণ পায় পুলিশ। এরপরই ওই শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করে জেরা করা শুরু হয়।
পুলিশের জেরার মুখে পড়ে ভেঙে পড়েন ওই শিক্ষিকা। তিনি কেন এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন, তা তিনি জানান পুলিশকে। তার কথায়, স্কুলেরই এক শিক্ষকের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছিল তার। সেই রাগ থেকেই এমন মারাত্মক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেন তিনি। পুলিশ আরও জানতে পারে, অভিযুক্ত বাজার থেকে সোডিয়াম নাইট্রেট কিনে নিয়ে যায়। তারপর বাচ্চাদের খাবারে সেই রাসায়নিক মিশিয়ে দেয় ওই শিক্ষিকা।
সেই সময় থেকেই হেনান প্রদেশের আদালতে অভিযুক্ত এই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চলছিল মামলা। গত বৃহস্পতিবার বিচারক এই মামলার চূড়ান্ত রায় দেন। ওয়াং উনকে দোষী সাব্যস্ত করেন তিনি। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকাকে ফাঁসির নির্দেশ দেন বিচারক।






