অমৃতার ভাইরাল ভিডিও, সুইগি ডেলিভারি এজেন্টদের কঠিন বাস্তবতা প্রকাশ!

আজকের ডিজিটাল যুগে সুইগির মতো খাবার ডেলিভারি সার্ভিসগুলি মানুষের জীবনে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ব্যস্ত কর্মদিনে কিংবা কোনো উৎসবে খাবার অর্ডার করা এখন এক অভ্যস্ত কাজ। তবে, এই সুবিধার পিছনে কাজ করছেন ডেলিভারি এজেন্টরা, যাদের পরিশ্রম প্রায়ই গ্রাহকদের নজরে আসে না। সম্প্রতি সুইগি ডেলিভারি এজেন্ট অমৃতা তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে একটি ভাইরাল ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি তার কাজের কঠিন এবং হতাশাজনক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

অমৃতা, যিনি তার পড়াশোনা এবং সুইগিতে ডেলিভারি কাজের ভারসাম্য বজায় রেখে এগিয়ে চলেছেন, সম্প্রতি কেরালার একটি বড় মল থেকে অর্ডার নিতে যাওয়ার পর ঘটে যাওয়া চ্যালেঞ্জগুলির কথা বলেন। যদিও তিনি মলের নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি, তবে তিনি ইঙ্গিত দেন যে এটি কেরালার লুলু মলগুলির মধ্যে একটি হতে পারে। এই ভিডিওতে অমৃতা তার ডেলিভারি কাজের ক্লান্তিকর রুটিন এবং সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন।

অমৃতা তার ভাইরাল ভিডিওতে বলেন যে, ডেলিভারি শুরু করার আগে রেস্টুরেন্টে পৌঁছানোর জন্য তাকে একাধিক ধাপ পেরোতে হয়। প্রথমে, একটি নির্দিষ্ট এলাকায় গাড়ি পার্ক করতে হয়, এরপর একটি সার্ভিস লিফট ব্যবহার করে ফুড কোর্টে যেতে হয় এবং শেষমেশ জনাকীর্ণ এলাকায় হাঁটতে হয়। এই প্রক্রিয়া একেবারে সময়সাপেক্ষ, যা অনেক সময় নষ্ট করে এবং ফলে ডেলিভারি এজেন্টদের আয় কমে যায়।

অমৃতা আরও জানান, যখন মলগুলোতে ডেলিভারি করতে যায়, তখন অনেক সময় এই প্রক্রিয়া শেষ হতে ২৫ মিনিটেরও বেশি সময় চলে যায়, কিন্তু তার জন্য যথেষ্ট অতিরিক্ত টাকা পাওয়া যায় না। তিনি বলেন, “মলে পৌঁছানোর পর আমাদের গাড়ি পার্ক করতে হয় (যেখানে আলাদা পার্কিং স্লট থাকে), তারপর সার্ভিস লিফট নিতে হয়, ফুড কোর্টে পৌঁছাতে হয় এবং যেখানে অর্ডার নেওয়া হয়েছে সেখানে হাঁটতে হয়।”

আরও পড়ুনঃ মেদিনীপুরে প্রসূতির মৃত্যুর পরেও সরকারি হাসপাতালে বিষাক্ত স্যালাইন বিতরণ!

এই সমস্যাগুলোর সমাধানে অমৃতা দুটি পরামর্শ দিয়েছেন। প্রথমত, তিনি মল কর্তৃপক্ষের কাছে খাবারের অর্ডার পিকআপের জন্য নিচের তলায় একটি সিস্টেম তৈরি করার অনুরোধ করেন, যা ডেলিভারি এজেন্টদের সময় বাঁচাবে। দ্বিতীয়ত, সুইগির উচিত এই ধরনের পরিস্থিতিতে ডেলিভারি এজেন্টদের অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা। এই বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদেরও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “এই বিষয়টি সত্যিই মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন,” আরেকজন লিখেছেন, “তাদের কঠোর পরিশ্রমকে স্যালুট জানাই।”

RELATED Articles