করোনা ভাইরাসের কারণে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) লিগ কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় চলমান আই-লিগ আর না বাড়ানোর। আর তার ফলে আই-লিগ চ্যাম্পিয়ান ঘোষণা করা হয় মোহনবাগানকে। ফেডারেশন-এর তরফে আই লিগ-এ মোহন বাগানকে চ্যাম্পিয়ান ঘোষণা করে রানার আপ পুরস্কারের অর্থ বাকি সব ক’টি টিমকে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়। লিগ না বাড়ানো এবং পুরস্কার ঘোষণার সিদ্ধান্তেই ইস্টবেঙ্গলের কর্মকর্তারা যারপরনাই ক্রুদ্ধ হয়েছেন বলে সূত্রের খবর।
একটি বেসরকারী সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী লাল হলুদ ব্রিগেড এআইএফএফের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লকডাউনের পরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে। ওই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইস্টবেঙ্গলের এক কর্মকর্তা জানান ফিফা স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল যে করোনাভাইরাসের কারণে হওয়া লকডাউন উঠে গেলে লিগগুলি আরও বাড়ানো যেতে পারে, আপাতত এটিকে স্থগিত করে রাখা যেতে পারত। অন্যান্য লিগ গুলিও হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
আরও পড়ুন – লিগ চ্যাম্পিয়ন বাগানে বেতন না মেলায় ক্ষোভে ফুঁসছেন ফুটবলাররা
এটি আমাদের পক্ষে মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর যে আমাদের দ্বিতীয় স্থানও দেওয়া হয়নি। আমরা মোহনবাগানের জন্য খুশি, তবে যেটি আমাদের খেলোয়াড়, কোচ এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে হয়েছে সেটি অত্যন্ত অন্যায়। ইস্টবেঙ্গলের প্রধান লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থেকেও দ্বিতীয় হিসেবে ঘোষিত না হওয়া।
ইস্টবেঙ্গলকে রানার্স ঘোষণা করলে বেঁকে বসতে পারত রিয়াল কাশ্মীর ও গোকুলম এফসি। কারণ দুই দলই এক ম্যাচ কম খেলে ১পয়েন্ট করে পিছিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গলের থেকে। আর লিগের বাকি ৪২ টা ম্যাচ শেষ হলেও কোনও দলের পক্ষেই মোহনবাগানকে টপকানো সম্ভব ছিলনা তাই এবারের আই লিগ শেষ না হলেও মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করতে কোনও অসুবিধা হয়নি ফেডারেশনের এবং বাকি দলগুলির মধ্যে রানার আপ পুরস্কারের অর্থ সমানভাবে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।






