রেশন দুর্নীতি নিয়ে বেশ তৎপর হয়েছে ইডি। এই কাণ্ডে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান ও বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যকে। সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন শঙ্কর আঢ্য ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাস। এবার এই মামলায় এক বিস্ফোরক দাবী করল ইডি।
ইডির দাবী রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। সাক্ষীরা বয়ান দিয়েও তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে। এর ফলে তদন্ত বিঘ্নিত হচ্ছে বলে নগর দায়রা আদালতে অভিযোগ করেন ইডির আইনজীবী।
গতকাল, শুক্রবার ধৃত বিশ্বজিৎ দাসকে তোলা হয়েছিল আদালতে। ইডির রিমান্ড লেটারে দু’জন সাক্ষীর বয়ানের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে সেই লেটারে সাক্ষীদের নাম নেই। এই নিয়ে প্রতিবাদ জানান বিশ্বজিৎ দাসের আইনজীবী। কেন রিমান্ড লেটারে সাক্ষীদের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এরপরই ইডি আদালতে জানায়, রেশন দুর্নীতি মামলায় একাধিক সাক্ষীর ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে যে বয়ান দেওয়ার পর তা প্রত্যাহার করার আবেদন জানিয়েছেন। তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে দাবী ইডির। সেই কারণে সাক্ষীর নিরাপত্তার কারণেই রিমান্ড লেটারে সাক্ষীদের নাম উল্লেখ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইডি। যদিও বিশ্বজিৎ দাসের আইনজীবীর দাবী, এই দাবী কোনও আইনি যৌক্তিকতা নেই।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয় শঙ্কর আঢ্য ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসকে। তাঁর দাবী, তিনি অন্যায়ের শিকার। তিনি একজন ব্যবসায়ী। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই তাঁর। তিনি এও জানান যে তিনি শঙ্কর আঢ্যকে চিনতেন ঠিকই, কিন্তু কোনও ঘনিষ্ঠতা ছিল না।





