জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে ক্ষেতের ফসল নষ্ট করে হাতি। এমনকি মানুষের ঘরবাড়িও অনেক সময় ভাঙচুর করে বা উঠোনে শুকোতে দেওয়া শস্য খেয়ে চলে যায়, এমন ঘটনার নজির অনেক। কিন্তু তা বলে দোকানের মিষ্টি সাবাড় করে দেবে? এমনও হয়?
কোথাও কী ঘটল এমন ঘটনা?
হ্যাঁ, হাতির গোগ্রাসে মিষ্টি খাওয়ার ঘটনা ঘটল এই বাংলাতেই। মাদারিহাট স্কুল চৌপথির দোকানের মালিল রাজেশ বণিক জানাচ্ছেন, তাঁর মিষ্টির দোকানে ঢুকে টপাটপ সমস্ত মিষ্টি খেয়ে চলে গিয়েছে এক হাতি। আর তা ধরা পড়েছে সিসিটিভি ফুটেজে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের এক হাতির বিরুদ্ধে এবার মিষ্টি চুরি করার অপবাদ উঠল। অভিযোগ, কয়েক হাজার টাকার মিষ্টি শুধুমাত্র খেয়েই নয়, নষ্টও করেছে সে। রাতে দোকানের দরজা ভেঙে সে কী কী যে কাণ্ড ঘটিয়েছে, সে সমস্ত কিছু সিসি ক্যামেরাতেই ধরা পড়েছে। আর সেই ফুটেজ দেখে দোকানের মালিকেরই চোখ ছানাবড়া হওয়ার জোগাড়।

কী দেখে গিয়েছে ওই ভিডিও ফুটেজে?
জানা গিয়েছে, একটি জংলি হাতি জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে মাদারিহাট স্কুল চৌপথির একটি মিষ্টির দোকানের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পড়ে। দোকানে তখন পরের দিনের জন্য তৈরি করে রাখা নানান রকমের মিষ্টি থরে থরে সাজানো ছিল। সেই মিষ্টি দেখে লোভ সামলাতে পারেন নি গজরাজ। মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত মিষ্টি হাপিশ করে দেন তিনি। নষ্টও করেন অনেক মিষ্টি। তারপর পা

শের যে পানের দোকান ছিল, সেই দোকানও তছনছ করেই ক্ষান্ত হয় সেই দাঁতাল। তারপর ফের জঙ্গলে চলে যায় সে।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে দোকানের মালিক রাজেশ বণিক বলেন, “আমরা তো অবাক। এ তো মফস্বল এলাকা। চৌপথির উপরে দোকান। এরকম জায়গায় যে হাতি চলে আসতে পারে সেটাই তো কখনও ভাবিনি। এখানে এসে আমাদের দোকান ভেঙেছে, পাশের দোকান ভেঙেছে। ৫০-৬০ হাজার টাকার জিনিস নষ্টই করেছে। বনদফতর থেকে লোক এসেছিল, দেখেও গিয়েছে। কিন্তু আমরা, এখানে যাঁরা কর্মীরা থাকেন সকলে ত্রস্ত। অনেকে তো রাতে থাকেন এখানে। এখন ভয় পাচ্ছেন”।





