শিবের পরম ভক্ত হলেন শনিদেব। সেই কারণে কোনও ব্যক্তির রাশিচক্রে যদি শনির দোষ থাকে, তাহলে শিবের আরাধনা করলে সেই দোষ থেকে মেলে মুক্তি। সামনেই শিবরাত্রি। এই সময় শিবকে খুশি করলে শনির মহাদশা, সাড়ে সাতি, আড়াই দশা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। মহাদেব যদি তুষ্ট হন, তাহলে ঘর-সংসার সুখ ও সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে।
কী কী উপায়ে তুষ্ট করা সম্ভব মহাদেবকে?
শনির মহাদশা থেকে মুক্তি জন্য মহাশিবরাত্রিতে করুন এই টোটকা
শিব চালিসা পাঠ
শনির অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে মহাশিবরাত্রি তিথিতে শিব চালিসা পাঠ করুন।
শিবলিঙ্গে শমী পত্র নিবেদন করুন
মহাশিবরাত্রি তিথিতে শিবলিঙ্গে একটি শমী পাতা নিবেদন করুন। এর পর ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র নিবেদন করুন। এর ফলে শনি দোষ থেকে মুক্তি মিলবে।
শিবের জলাভিষেক করুন
এই শুভ দিনে শিবের জলাভিষেক করলে শনির রোষ কমবে। এর জন্য গঙ্গাজলে তিল ও চিনি মিশিয়ে শিবের অভিষেক করুন। এই উপায় করলে শনি প্রসন্ন হন এবং সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।
ব্রাহ্মণদের পায়েস খাওয়ান
মহাশিবরাত্রির দিনে বেল গাছের তলায় ব্রাহ্মণ, দরিদ্র ও অসহায়দের বসিয়ে পায়েসের ভোগ খাওয়ান। এর ফলে শনির প্রকোপ থেকে মুক্তি মিলবে।
অন্যান্য গ্রহ দোষ দূরের উপায়
রাহুর দোষ কাটানোর উপায়
রাশিতে যদি রাহু দুর্লভ পরিস্থিতিতে থাকে, তাহলে ব্যক্তিকে পদে পদে কষ্ট সহ্য করতে হয়। শাস্ত্র মতে শিব পুজো করলে রাহু জনিত কষ্ট থেকে শীঘ্র মুক্তি পাওয়া যায়। মহাশিবরাত্রি তিথিতে নিশীথ কালে জলে দূর্বা ও কুশ মিশিয়ে শিবের জলাভিষেক করুন। এর ফলে রাহুর অশুভ প্রভাব কমে আসে এবং জীবন সুখময় হবে।
মঙ্গল দোষ কাটানোর উপায়
রাশিছকে মঙ্গল দুর্বল পরিস্থিতিতে থাকলে ব্যক্তির জীবন থেকে সুখ-শান্তি দূর হয়। সামান্য কথায় বিবাদ বাঁধে। চাকরি, ব্যবসা ও সম্পর্কে সমস্যা দেখা যায়। শাস্ত্র মতে মহাশিবরাত্রিতে মঙ্গল শান্তির জন্য গঙ্গাজলে লাল চন্দন, লাল ফুল ও গুড় মিশিয়ে শিবলিঙ্গের জলাভিষেক করুন। তাহলে মিলবে মঙ্গলের দোষ থেকে মুক্তি।






