সাতসকালে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। হিমঘরের গ্যাস লিক করে বাতাসে মিশল ‘বিষ’। বিষাক্ত গ্যাসের জেরে মৃত্যু একজনের। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ৪ জন। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
কোথায় ঘটল এই ঘটনা?
ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ঘুঘুডাঙা জনতা হিমঘরে। ট্যাপরা মারি এলাকায় রয়েছে সেই হিমঘর। ওই হিমঘরে প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩৬৮ কুইন্টাল আলু মজুত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, আজ, শনিবার সকাল ৮টা নাগাদ আচমকাই গোটা এলাকা ভরে যায় কটু গন্ধে। এলাকাবাসীর মুখ দেখা যায় ভয়ের ছাপ। জানা যায়, হিমঘরের অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করেছে।
কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?
জানা গিয়েছে, এদিন হিমঘরের এসি সারাইয়ের কাজ চলছিল। সেই যন্ত্র মেরামত করার সময়ই ঘটে যায় এক বিপত্তি। কুতুবউদ্দিন শেখ নামের এক ব্যক্তি এদিন পাইপে উঠেছিলেন বলে খবর। তাঁর শরীরের চাপেই ভেঙে যায় পাইপ। এর জেরে হু হু করে বেরিয়ে আসতে থাকে অ্যামোনিয়া গ্যাস। আর গোটা এলাকায় তা ছড়িয়ে পড়ে।
তীব্র এই গ্যাসের জেরে দুই কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় হলদিবাড়ি দমকল কেন্দ্রে। দমকল কর্মীরা এসে দুই কর্মীকে উদ্ধার করেন। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে এক টেকনিশিয়ান যিনি পাইপের উপর উঠেছিলেন, তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এই ঘটনায় ৪ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
এই ঘটনা মনে করায় ভোপালের ভয়াবহ গ্যাস দুর্ঘটনার স্মৃতিকে। এদিন দমকল পৌঁছতে আর একটু দেরি হলে বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেত বলে ধারণা স্থানীয়দের। এই ঘটনায় ওই হিমঘরের এক কর্মী জানান, “এদিন সকালে আমরা হিমঘরে কাজ করছিলাম। তখনই ঘটে বিপত্তি। আচমকাই গ্যাস লিক হতে শুরু করে। দু’জন মারাত্মকভাবে অসুস্থও হয়ে পড়ে। ওদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দমকল, পুলিশও এসেছে। এনডিআরএফ-র টিম এসে গ্যাস লিক বন্ধ করেছে”।






