BREAKING: ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ, রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে সরিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন

লোকসভা নির্বাচনের আচরণ বিধি লাগু হতেই কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে পদ থেকে সরাল নির্বাচন কমিশন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে প্রত্যয়ী নির্বাচন কমিশন। ভোটের তারিখ ঘোষণার পর রাজীব কুমারকে পদ থেকে সরিয়েই শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য প্রথম পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

রাজীব কুমারকে সরানো নির্দেশিকা দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। সেখানে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের ডিজিপি রাজীব কুমারকে ‘নন ইলেকশন রিলেটেড পোস্ট’ অর্থাৎ ভোটের সঙ্গে যুক্ত কোনও পোস্টে নিয়োগ করা যাবে না।

ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার একমাস আগে জাতীয় নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশিকা জারি করেছিল, তাতে বলাই হয়েছিল, তিন বছরের বেশি সময় কাজ করা আধিকারিককে বদলি করতে হবে। সেই অনুযায়ীই এই পদক্ষেপ নিল কমিশন। শুধুমাত্র রাজীব কুমারই নয়, রাজ্য পুলিশের আইজি-কেও পদ থেকে সরানো হয়েছে বলে খবর।  

নির্দেশিকা অনুযায়ী, রাজ্য পুলিশের এই ডিজি বা আইজি-কে ভোটের কোনও কাজের তাদের নিয়োগ করা যাবে না। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে এও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আজ, সোমবার বিকেল ৫টার মধ্যে ডিজি ও আইজি পদে নিয়োগের জন্য তিনজন আধিকারিকের প্যানেল পাঠাতে হবে কমিশনে।

BREAKING: ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ, রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে সরিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন

সন্দেশখালি কাণ্ডে রাজীব কুমারের ভূমিকা নিয়ে উঠেছিল বিস্তর প্রশ্ন। তাঁকে পদ থেকে সরানোর এটাও একটা কারণ কী না, তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।

জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গই নয়, উত্তরাখণ্ড, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশের স্বরাষ্ট্র সচিকেও পদ থেকে সরিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনের শীর্ষ পদ থেকে আধিকারিকদের সরানোর কাজ এবার থেকে শুরু হল বলে খবর। ডিএম, এসপিদেরও সরানো হতে পারে। যাদের বিরুদ্ধে কোনও রকমের কোনও অভিযোগ রয়েছে বা যারা একই জায়গায় তিন বছরের বেশি সময় কাজ করার পরও রাজ্য সরকার তাদের সরায় নি, এমন আধিকারিকদের এবার বদলি করতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন, এমনটাই সূত্রের খবর।     

আরও অন্যান্য খবর