তিনদিন ধরে বসে হাসপাতালের গেটে, জোটে নি চিকিৎসা, অকালে প্রাণ হারালেন তরতাজা যুবক, ভয়ঙ্কর অভিযোগ কলকাতার সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে

Youth died without treatment: রেফারি কেস, বা ঠিকমতো চিকিৎসা না হওয়া, চিকিৎসার গাফিলতিতে মৃত্যু, এমন ঘটনা আকছার ঘটছে বাংলায়। নানান সরকারি হাসপাতাল থেকে মাঝেমধ্যেই উঠে আসে নানান ধরণের অভিযোগ। সঠিক সময় চিকিৎসা না মেলায় মৃত্যু হয়েছে রোগীর, এমন ঘটনার নজির অনেক। তবে হাসপাতালের গেটে অসুস্থ রোগী পড়ে থাকা সত্ত্বেও কোনও চিকিৎসাই জুটল না তিনদিন ধরে, এমন ঘটনা নজিরবিহীন বলা যায় (Youth died without treatment)

কী ঘটেছে ঘটনাটি (Youth died without treatment)?

ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল কলকাতার এনআরএস হাসপাতালের বিরুদ্ধে। হাসপাতালের গেটের সামনেই তিনদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিলেন এক ব্যক্তি। ব্যক্তির সঙ্গে ছিলেন এক ভারসাম্যহীন মহিলা। তিনদিন ধরে কোনও চিকিৎসা পান নি ওই মুমূর্ষু রোগী। ফলে বিনা চিকিৎসায় অকালেই প্রাণ হারালেন তিনি (Youth died without treatment)। কেউ যেন দেখেও দেখলেন না।

গতকাল, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যেয় এন্টালি থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে উদ্ধার করে সেই মৃতদেহ। ওই মৃত ব্যক্তির সঙ্গে যে মহিলা ছিলেন, তাঁর পরিচয় অবশ্য এখনও জানা যায়নি। তবে প্রশ্ন উঠছে, ওই গেট দিয়েই তো হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্সদের যাতায়াত, তাহলে কেউ কী সেই রোগীকে গেটের সামনে পড়ে থাকতে দেখতে পান নি? নাকি দেখেও না দেখার ভান করে চলে গিয়েছেন (Youth died without treatment)? তবে এই ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

এনআরএস হাসপাতালে শিয়ালদহ স্টেশনের কাছেই। ফলে সেই এলাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত লেগেই থাকে। এনআরএসের এক নম্বর গেট জনবহুল বলা যায়। সাধারণ মানুষ তো বটেই, চিকিৎসক, নার্সরাও সেখান দিয়ে যাতায়াত করেন। তারপরও গেটের সামনে পড়ে থাকা ওই মুমূর্ষু রোগী কারোর নজরেই এল না (Youth died without treatment)? এমনকি সেই সময় পুলিশও সাহায্য করল না? কিন্তু কেন? উঠছে প্রশ্ন।

এই এলাকায় প্রতিদিন দিনমজুরের কাজে আসেন অনেকেই। তাদের মধ্যেই একজন জানাচ্ছেন, “দু-তিন ধরে এখানে পড়েছিল। শরীর খারাপ ছিল। ওর পাশে একটা মহিলাকে বসে থাকতে দেখেছি। প্রায়শই কেঁধে উঠতেন। আর কাউকে দেখিনি। পুলিশও আসেনি। হাসপাতালেও কেউ নিয়ে যায়নি” (Youth died without treatment)

এলাকার এক বাসিন্দা কথায়, “ওই মহিলাকে এলাকায় মাস খানেক ধরে দেখছি। পাগলের মতো বসে থাকতেন। উনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে শুনেছি। কোথা থেকে এসেছেন, কারা কিছুই জানা নেই। আজ যিনি মারা গেলেন তাঁকে দু-তিন ধরে ওনার সঙ্গে দেখেছি” (Youth died without treatment)

আরও অন্যান্য খবর