পথ দেখাচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! তীব্র গরমে পথচারীদের তেষ্টা মেটানোর উদ্যোগ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাতেই সকলকে জল-বাতাসা খাওয়াচ্ছেন মহিলারা

Women are feeding Water and Batasa: রাজ্যজুড়ে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ বাইরে বেরোলে এই গরম হাওয়া পুড়িয়ে দিচ্ছে ত্বক। কল খুললেও সে জলও গরম। ‌ কোথাও স্বস্তি নেই গরমের হাত থেকে। এমনকি বিকেল হলেও ঠান্ডা হাওয়া বইছে না। সোমবার কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। গত ৪৪ বছরে রেকর্ড ভেঙে কলকাতার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ হয়েছে।পশ্চিমের জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ৪৫ ছুঁয়েছে। আজ সেই তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে। কলকাতায় আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গরমে নাজেহাল অবস্থা বঙ্গবাসীর। রবিবারের আগে ছিটেফোঁটাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তীব্র গরমে বিশেষ উদ্যোগ মহিলাদের (Women are feeding Water and Batasa)

এই গরমে সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে পা রাখতে বারণ করছেন চিকিৎসক থেকে আবহাওয়াবিদ সকলেই। কাজের জন্য অনেককেই বেরোতে হচ্ছে বাইরে। তাদের কথা ভেবে এই তীব্র গরমে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন মহিলারা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় পথচারীদের ঠান্ডা জল ও বাতাসা খাওয়াচ্ছেন মহিলারা। নিজেদের পাওনা টাকা থেকে অল্প কিছু কিছু জমিয়ে এই উদ্যোগ নিয়েছেন মহিলারা। গত ১৫ দিন ধরে দুবেলা এই পরিষেবা দিচ্ছেন মহিলারা। হাওড়া ডোমজুড় এর সলভ ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সলপ ব্রিজের নিচে ১০-১২ জন মহিলা ঘর সংসার সামলে জল বাতাসা খাওয়াতে আসছেন পথচারীদের (Women are feeding Water and Batasa)

হঠাৎ কেন এই চিন্তা ভাবনা করলেন মহিলারা? উত্তর দিচ্ছেন তারাই। বলছেন, “গরমের দিনে পথচারীদের জল খাওয়ানোই মূল লক্ষ্য। ঘর সংসার সামলে যে যতটা পারছে সে ততটা করছে। বেশিরভাগ টাকাটাই আমরা নিজেরা দিয়েছি তবে অনেকের এই উদ্যোগ দেখে ভালো লাগলে, তারা টাকা দিয়ে গেছেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা এখন মমতা ব্যানার্জি হাজার টাকা করে, করে দিয়েছে। লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা থেকেই আমরা কিছু কিছু দিচ্ছি। এখানে ১০-১২ জন মহিলা রয়েছে সবাই অল্প অল্প করে দিয়ে, আমাদের যতটা সামর্থ্য এই পরিকল্পনা রূপায়ণ করেছি” (Women are feeding Water and Batasa)

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা কোন জনকল্যাণমূলক সেবা করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেননি, দিয়েছেন মহিলাদের হাত খরচের জন্য। এই কথা তো ঠিকই। ওই মহিলাদের কথায়, “আমাদের ইচ্ছা আমরা মানুষকে উপকার করি, মানুষের পাশে থাকি। সকাল দশটা থেকে সাড়ে দশটার মধ্যে ওই এলাকায় জল বাতাসে নিয়ে হাজির হন মহিলারা। বিকেল সাড়ে পাঁচটা অবধি পথচারীদের একটানা জল বাতাসার পরিষেবা দিয়ে চলেন মহিলারা” (Women are feeding Water and Batasa)

RELATED Articles