নির্বাচনি কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের টুইটারে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে, বিহারের অভিবাসী শ্রমিকদের আটকে রাখা হয়েছে। যেখানে শ্রমিকরা কাঁদছেন এবং করজোড়ে মুক্তির আর্জি জানিয়ে বলছেন, তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হোক।
জানা গিয়েছে, ওই শ্রমিকরা পেটের দায়ে ভিন রাজ্যে গিয়েছিলেন। বিশেষ বাসে করে বিহারে ফেরানো হয়েছে তাঁদের। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে এক শ্রমিক আর্জি জানাচ্ছেন, ‘দয়া করে আমাদের বেরোতে সাহায্য করুন। কিচ্ছু চাই না। কেবল আমাদের যেতে দিন।’ আশপাশে থাকা অন্য শ্রমিকদেরও কাঁদতে দেখা যায়।
.#Corona संक्रमण से लोगों को बचाने के सरकारी प्रयासों की एक और भयावह तस्वीर –
भारी तकलीफ़ और मुसीबतों को झेलकर देश के कई हिस्सों से बिहार पहुँचने वाले गरीब लोगों के लिए #NitishKumar की #SocialDistancing और #Quarantine की ये व्यवस्था दिल दहलाने वाली है।#NitishMustQuit pic.twitter.com/ot3hygGRk7
— Prashant Kishor (@PrashantKishor) March 29, 2020
এই ঘটনায় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে অভিযুক্ত করে প্রাক্তন জেডিইউ নেতা প্রশান্ত কিশোর একে ‘ভীতিপ্রদ ছবি’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি টুইট-এ লেখেন যে, ‘করোনা ভাইরাস মহামারী থেকে মানুষকে মুক্ত করতে সরকারি প্রচেষ্টার আরও এক ভীতিপ্রদ ছবি। গরিব অভিবাসীরা যাঁরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু কষ্টে ফিরেছেন তাঁদের সামাজিক দূরত্ব ও কোয়ারান্টাইনের জন্য এমন হৃদয় বিদারক বন্দোবস্ত করেছেন নীতীশ কুমার।’
জানা গিয়েছে ভিডিওটি তোলা হয়েছে বিহারের রাজধানী পাটনা থেকে ১৩০ কিমি দূরে অবস্থিত সিওয়ানে। মূলত লকডাউনের জেরে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন রাজ্য থেকে নিজেদের রাজ্য বিহারে ফিরে আসেন ওই শ্রমিকরা। একসঙ্গে এত শ্রমিক রাজ্যে চলে আসায় সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে গিয়ে স্বাস্থ্য পরিস্থিতির বড় ক্ষতি হতে পারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিহারের মন্ত্রী সঞ্জয় ঝা।
তাই প্রশাসন ঠিক করেছে ওই শ্রমিকদের ১৪ দিনের কোয়ারান্টাইনে রাখা হবে।





