গুলি করে ঝাঁঝরা করার পর কুপিয়ে খুন, ধড় থেকে মুণ্ডু আলাদা করে তাণ্ডব, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার বলি বিজেপি কর্মী

BJP Worker was allegedly murder by TMC: গতকাল, শনিবার ছিল লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। এদিন ভোট শেষ হতেই রাজ্যে শুরু ভোট পরবর্তী হিংসা। আর এই হিংসায় বলি বিজেপি কর্মী। গুলি করে ঝাঁঝরা করার পর কুপিয়ে খুন করা হয় কর্মীকে। এমনকি ধড় থেকে মুণ্ডু আলাদা করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় আঙুল উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে (BJP Worker was allegedly murder by TMC)

ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কালীগঞ্জের দেবগ্রামের চাঁদপুর এলাকায়। মৃত ওই বিজেপি কর্মীর নাম হাফিজুল শেখ (BJP Worker was allegedly murder by TMC)। পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল ভোটের কাজের জন্য সকাল থেকেই বাইরে ছিলেন হাফিজুল শেখ। কিন্তু রাতে অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও তিনি বাড়ি না ফিরলে তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন।

স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তার ধারে একটি দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। নৃশংস সেই দৃশ্য দেখে আঁতকে ওঠেন তারা। ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে সেই ব্যক্তিকে। কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। ধড় থেকে মুণ্ডু কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে শুধু ধড়টাই পড়ে ছিল। হাফিজুলের পরিবার খবর পেয়ে সেখানে যায়। পরনের পোশাক দেখে তারা শনাক্ত করেন যে ওই দেহ হাফিজুলের(BJP Worker was allegedly murder by TMC)

খবর দেওয়া হয় কালীগঞ্জ থানায়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য। পরিবার সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনের আগে হাফিজুলের নেতৃত্বে অনেক সংখ্যালঘুরা বিজেপিতে যোগ দেয়। ওই এলাকায় বেশ ভালো ঘাঁটি শক্ত হয় বিজেপির। সেই আক্রোশ থেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হাফিজুলকে খুন করেছে বলে দাবী হাফিজুলের পরিবারের (BJP Worker was allegedly murder by TMC)

এই বিষয়ে মৃতের ভাই জয়েনউদ্দিন মোল্লা বলেন, “আমার ভাই ক্যারাম খেলছিল। আমাদের কাছে সে খবর ছিল। তারপর ওখান থেকে ওকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে খুন করা হয়। মাথাটা কেটে নিয়ে চলে যায়। তারপর বোমাবাজিও করে। কাসেম, সহজ, নাসিল, সব্বুর, আলি, বান্টু ওরা সব তৃণমূলের গুন্ড বাহিনী। আমরা এখানে বিজেপি করি, ভাল সংগঠন তৈরি করেছিলাম। আগে সিপিএম করতাম। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর আমরা বিজেপিতে যোগ দিই”।

এই ঘটনার খবর পেউএ মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়ি যান বিজেপির নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস। তাঁর দাবী, “লোকসভা ভোটের আগে জয়নুদ্দিন মোল্লা ওরফে বগার নেতৃত্বে ওই গ্রামের অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই রাগেই তৃণমূল ওকে খুন করেছে” (BJP Worker was allegedly murder by TMC)

যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কালীগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদ। তাঁর কথায়, “ফায়দা নিতে অরাজনৈতিক ঘটনায় রাজনীতির রঙ লাগাচ্ছে বিজেপি। পুলিশ তদন্ত করছে”।

RELATED Articles