‘সিট তো জিতেই গেছি, এটা জাস্ট ফর্মালিটি’, বাগদা বিধানসভা উপনির্বাচনে জয় নিয়ে তুমুল আত্মবিশ্বাসী মমতার মেয়ে

TMC candidate of Bagda Assembly is confident for by election: রাজনীতিতে তিনি একেবারে নবাগতা হতে পারেন, কিন্তু রাজনীতি তাঁর রক্তে মিশে রয়েছে। ছোটো থেকে রাজনীতির পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন। তবে আত্মবিশ্বাস দৃঢ় তাঁর। তাঁর উপর যে তাঁর দল ভরসা করেছে, সেই ভরসার দাম দিতে প্রস্তুত মধুপর্না ঠাকুর। ফলে বাগদা বিধানসভা উপনির্বাচন নিয়ে জয়ের কথাই শোনা গেল তাঁর মুখে (TMC candidate of Bagda Assembly is confident for by election)

মধুপর্না ঠাকুর হলে বনগাঁর ঠাকুর পরিবারের কন্যা। মমতাবালা ঠাকুরের মেয়ে তিনি, ‘বড়মা’র নাতনি। ফলে রাজনীতি তাঁর রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে রয়েছে। প্রাণীবিদ্যায় স্নাতক মধুপর্না। তাঁর উপরেই এবার বিশ্বাস রেখেছে তৃণমূল বাগদা বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য (TMC candidate of Bagda Assembly is confident for by election)। সেখান থেকে প্রার্থী করা হয়েছে মধুপর্না ঠাকুরকে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। তবে পরে দলবদল করে তৃণমূলে যান তিনি। লোকসভা নির্বাচনে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিট পান। ফলে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয় তাঁকে। এর ফলে ওই বিধানসভা কেন্দ্র আপাতত বিধায়কহীন। আগামী ১০ জুলাই রাজ্যের ৪ বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে উপনির্বাচন। এর মধ্যে রয়েছে বাগদাও।

গতকাল, বুধবার নিজের মনোনয়ন জমা দিতে বনগাঁর মহকুমা শাসকের দফতরে যান মধুপর্না। এদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা তথা রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর ও দলের নেতা-কর্মীরা। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর বেশ আত্মবিশ্বাসের সুরেই মধুপর্না (TMC candidate of Bagda Assembly is confident for by election) বলেন, “সিট তো আমরা জিতে বসেই আছি, এটা জাস্ট একটা ফর্মালিটি। লড়াইটা খুব কঠিন না। ১৩ তারিখে দিদির হাতে সিটটা তুলে দিতে পারব”।

প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচন বনগাঁ কেন্দ্র থেকে জিতেছেন ঠাকুরবাড়িরই ছেলে শান্তনু ঠাকুর। ঘাসফুল শিবিরের আধিপত্যের মধ্যেও সেখানে পদ্মফুল ফুটিয়েছেন তিনি। ফলে বাগদা বিধানসভা উপনির্বাচন তৃণমূল ও বিজেপির কাছে প্রেস্টিজ ফাইট বলা যায়। তৃণমূল প্রার্থী জয়ের বিষয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী (TMC candidate of Bagda Assembly is confident for by election)। এবার বিজেপি প্রার্থীও সেই বিশ্বাস ধরে রাখতে পারেন কী না, সেটাই দেখার। যদিও এই কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দলের মধ্যেই বেশ অসন্তোষ দেখা গিয়েছে। এমন আবহে তৃণমূল প্রার্থীকে বিজেপি জব্দ করতে পারে কী না, তা তো সময়ই বলবে।

RELATED Articles