দেদার সরকারি জমি দখল করে গড়ে উঠছে একের পর এক তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়, দলের শীর্ষনেতাদেরই মদত নয় তো?

Building of TMC Party Office occupying Government Land: সরকারি জমি দখল করে নানান নির্মাণ গড়ে ওঠার অভিযোগ আগেও উঠেছে। একদিকে নবান্নে যখন এই নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের ধমক দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখনই শহরের এক প্রান্ত থেকে উঠে এল এই সরকারি জমি দখল করে শাসক দলের অফিস গড়ে ওঠার অভিযোগ। একাধিক দলীয় কার্যালয় গড়ে উঠেছে তৃণমূলের রাস্তার পাশের জমি দখল করে, এমনটাই অভিযোগ (Building of TMC Party Office occupying Government Land)

ঘটনাটি পুরুলিয়ার। জানা গিয়েছে, শহরের একাধিক পুরসভা ওয়ার্ডে সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের অফিস তৈরি হয়েছে। শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বুচাবাঁধ এলাকায় রাস্তার পাশে তৈরি করা হয়েছে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় (Building of TMC Party Office occupying Government Land)। সেখানে তৃণমূলের লোগো থেকে শুরু করে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি।

আবার শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জেলাশাসকের অধীনে থাকা সরকারি জমি তথ্য সংস্কৃতি দফতরের পাশেই গড়ে উঠেছে তৃণমূলের অফিস। একইভাবে পুরুলিয়া শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জাতীয় সড়কের পাশে সরকারি দফতরের পাশেই তৈরি করা হয়েছে শাসক দলের অফিস। ১০ বছরের বেশি সময় ধরে রয়েছে এই অফিস, এমনটাই দাবী (Building of TMC Party Office occupying Government Land)। পুরুলিয়া জেলার শীর্ষ আধিকারিকদের মদতেই এই একের পর এক সরকারি জমি দখল করে দলীয় গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে।  

এইভাবে যেখানে সেখানে রাস্তার উপর তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় তৈরি করার প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে। আর এতে মদত রয়েছে স্থানীয় কাউন্সিলরের। ফুটপাত বলে আর কিছু নেই, রাস্তা দখল করেই হছে বেআইনি নির্মাণ (Building of TMC Party Office occupying Government Land)

এই বিষয়ে পুরুলিয়ায় বিজেপি জেলা সভাপতি বিবেক রাঙ্গা বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে যে অভিযোগ করে আসছি মুখ্যমন্ত্রী এখন এসে সেই অভিযোগের সার্টিফিকেট দিলেন। ওঁ একদিকে বলছেন সরকারি জমি দখল করা যাবে না। আর পুরুলিয়া শহরেই দেখা যাচ্ছে একাধিক সরকারি জমি দখল করে চলছে তৃণমূলের পার্টি অফিস” (Building of TMC Party Office occupying Government Land)

এদিকে আবার গত সপ্তাহেই নবান্নের বৈঠকে জমি দখল নিয়ে আধিকারিকদের ধমক দেন মমতা। বলেন, “হাতিবাগান, গড়িয়াহাটের অবস্থা খারাপ। ওয়েবেলের কাছে দেখলাম কত দোকান বসেছে, সবাই আউটসাইডার। নোংরা করে রেখে দিয়েছে। কেন নতুন একটা জোন করা হচ্ছে না? বেআইনিভাবে চারতলা-পাঁচ তলা তোলা হচ্ছে, কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না। দুএকজনকে গ্রেফতার করুন, দু-একটা নির্মাণ ভাঙুন। আমার বাড়ি থেকে শুরু করুন। কেন বেআইনি কোনও জিনিস আমরা মানব”।

পুরুলিয়ার ঘটনায় পুরুলিয়া পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ময়ূরী নন্দী বলেন, “বিষয়টা আমাকে দেখতে হবে। পৌরসভার অনুমতি নিয়ে তো দলীয় অফিস তৈরি হয় না। কেউ যদি করে থাকে সরকারি জমি দখল করে, নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নেওয়া হবে” (Building of TMC Party Office occupying Government Land)

আরও অন্যান্য খবর