কোভিড -১৯ এর মোকাবিলায় লকডাউন চলছে সারাদেশে। সেই সাথে কমেছে অনলাইন ফুড ডেলিভারির চাহিদাও। এপ্রসঙ্গে এক সুইগি ফুড ডেলিভারি বয়-এর কথায়, ‘এই দিনগুলিতে চাহিদা খুব কম। আমরা দিনে ১৬ থেকে ১৭ ঘন্টা কাজ করেও আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছি না।’
আবার জোম্যাটো অনলাইন খাদ্যসংস্থার কর্মচারী জানিয়েছেন, ‘আমি প্রায় ছয়মাস ধরে এই কাজে আছি। বর্তমানে অনলাইনে খাবার অর্ডার করার প্রবণতা কমেছে। এখন মানুষ মূলত বাড়িতেই রান্না করা নিরামিষ খাবার খাচ্ছে।’
ফুড ডেলিভারি অ্যাপ-এর কর্মচারীরা জানিয়েছেন, সবরকম প্রয়োজনীয় সতর্কতা তাঁরা অবলম্বন করছেন। প্রতিটা অর্ডার ডেলিভারী দেওয়ার আগে হাত স্যানিটাইজ করা থেকে মুখে মাস্ক – খামতি নেই কিছুতেই। কিন্তু তাও মানুষ আপাতত মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থাগুলির থেকে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!