Today’s Episode of Mithijhora: জি বাংলার ধারাবাহিক ‘মিঠিঝোরা’ (Mithijhora) রাই, নীলু ও স্রোতের জীবনের নানা উত্থান-পতনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে সকলেই জানেন রাই অনির্বাণের ফুলশয্যার দিন কেউ একটি গিফট দিয়ে যায় আর তাতে ছিল রাই শৌর্যের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি। সেই ছবি দেখে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে অনির্বাণ। তবে এগুলো কোনটাই সত্যি নয় রাই বোঝাতে চাইলেও, অনির্বাণ বুঝতে চাইনি। রাই সব সত্যি সবার সামনে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর (Today’s Episode of Mithijhora)।
ধারাবাহিকে দেখা গেছে, রাইয়ের শৌর্যের সাথে যে ঘনিষ্ট ছবিগুলি দেখেছে সেই সম্বন্ধে অনির্বাণ তার মাকে জানায়। এইসব জানা মাত্রই অনির্বাণের মা ক্ষিপ্ত স্বরে বলতে থাকে যে আমি জানতাম এমন হবে। রাইকে ডিভোর্স দিয়ে দিতে বলে অনির্বাণের মা। এদিকে শৌর্যের কাছে উত্তর চাইতে গেলে স্পষ্ট সে জানায় এসব কিছুর সাথে সে যুক্ত নয়। অনির্বাণের মা এসে রাইয়ের সম্বন্ধে রাইয়ের মাকে অনেক কথা বলে যায়। এমনকি রাইকে চরিত্রহীনও বলে। এসব কথা শুনে নিজেকে সামলে রাখতে পারেন না তিনি। রাই বাড়ি ফিরলে রাইয়ের গায়ে হাত তোলে তার মা।
ধারাবাহিকের (Mithijhora) আগামী পর্বে দেখা যাচ্ছে (Today’s Episode of Mithijhora), রাইয়ের মা রাইকে অনেক অপমান করে। শৌর্যের ইচ্ছাপূরণ করে দিচ্ছে রাই। তাই জন্য আর দরকার নেই নীলুর, এই কথা মা বলে। রাই বলে যে এসবগুলো ভুল। রাই বলে এসবগুলো কেউ কেন পাঠিয়েছে আমি জানিনা। রাই ভাবতে থাকে সে কোন অপরাধ না করেই শাস্তি পাচ্ছে। নন্দিতাদেবী ভাবতে থাকে যে রাই এমন ভাবে বদলে গেল। বৌদি বলে যে রাই কখনও এই কাজ করেনি, কখনও করতে পারে না (Today’s Episode of Mithijhora)।
উল্লেখ্য, স্রোত অনির্বাণকে বোঝাতে থাকে যে এখন এআইয়ের যুগে কিভাবে এসব ছবি সহজেই বানিয়ে ফেলা যায়। কেউ ইচ্ছা করেই এমনটা করেছে। তাই তারা আসল অপরাধীকে ধরবে। অনেক চেষ্টা করে স্রোত অনির্বাণকে কিছুটা বোঝাতে পারে এবং সেখান থেকে চলে যায়। রাই অনির্বাণকে বলে, আমি সেদিন বারবার বলেছিলাম যে এই ভুল আমি করিনি, তুমি বিশ্বাস করো নি। কিন্তু তোমাকে বিশ্বাস করতেই হবে। কিন্তু রাই আদৌ আসেনি এসেছিল, অনির্বাণের স্বপ্নে। অনির্বাণ ভাবতে থাকে যে রাই স্বপ্নেও ঠিক কথা বলেছে, এই ছবির সত্যতা যাচাই না করেই আমি সবকিছু বিশ্বাস করে নিয়েছি। অনির্বাণ ভাবে রাইয়ের সাথে হাত মিলিয়ে আসল অপরাধীকে আমরা এবার খুঁজে বের করবো (Today’s Episode of Mithijhora)।
অনির্বাণ ঠিক করে রাইয়ের বাড়িতে যাবে, কিন্তু সেই মুহূর্তেই ফোন করে অনির্বাণের মা সোহিনী দেবী। অনির্বাণ মাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে আমার রাইয়ের বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মধ্যে তোমায় থাকতে হবে না। রাই ভাবতে থাকে যে এর পিছনে আসলে কে থাকতে পারে? অনেক টাকা দিয়ে এসব ছবি বানানো হয়, তবে কে করেছে এই কাজটা? বাড়িতে এসে অনির্বাণ তার মাকে জানায় রাইকে বিশ্বাস না করে সে ভুল করেছিল। অনির্বাণ জানায়, সে কাল রাইয়ের বাড়িতে যাবে এবং রাইয়ের সাথে গিয়ে কথা বলবে (Today’s Episode of Mithijhora)।
অনির্বাণ বুঝতে পারে যে অন্য কেউ এই ছবিগুলি বানিয়ে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করার চেষ্টা করেছে তাই রাইয়ের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া দরকার। অনির্বাণ আসল অপরাধীকে ছাড়বে না একথাও মনে করিয়ে দেয় তার মাকে। মন্দার তখন বলে যে ঠিক বলেছো কুট্টিদা তোমাদের মধ্যে যে অশান্তি বাঁধিয়েছে তাকে ধরতেই হবে। রাই ভাবতে থাকে সে কি অন্যায় করেছে যার জন্য তার সাথে সব সময় এমন ঘটতে থাকে। নীলু এসব কিছুর মধ্যে শান্তিতে রয়েছে, ভাবতে থাকে যে কখনও তাকে কেউ ধরতে পারবে না। কিন্তু রাই বদ্ধপরিকর যে দোষী তাকে শাস্তি পেতেই হবে,কোনভাবেই তাকে ছাড়া যাবে না আর। ছবি রহস্য ফাঁস হবে রাইয়ের হাতে? কী হতে চলেছে আগামীতে (Today’s Episode of Mithijhora), জানতে হলে দেখতে হবে মিঠিঝোরা (Mithijhora)।





