Covid19 Crisis: লকডাউনের মেয়াদ বাড়তে চলেছে, এমনই ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী

করোনা মোকাবিলায় দেশব্যাপী ২১ দিনের লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। যার সময়সীমা ১৪ই এপ্রিল শেষ হতে চলেছে। কিন্তু দেশে সংক্রমনের হার ক্রমে বেড়েই চলেছে। এমতাবস্থায় যদি লকডাউন উঠে যায় তবে সংক্রমন আরও দ্রুত হারে বেড়ে যেতে পারে। তাই করোনা মোকাবিলায় বুধবার বিরোধী দলগুলির সংসদীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে লকডাউন-সহ আরো অনেক বিষয় আলোচনা করেন তাঁরা। বৈঠকে এদিন প্রধানমন্ত্রী সাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে।

এদিন সকাল ১১টা নাগাদ আলোচনা সভা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেখানে উপস্হিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, শিব সেনার সঞ্জয় রাউত, বিজেডি নেতা পিনাকী মিশ্র, সমাজবাদী পার্টির নেতা রামগোপাল যাদব-সহ অনেকেই। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে অংশগ্রহণ না করতে চাইলেও পরে তৃণমূলের সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় আলোচনায় অংশ নেন।

জানা গিয়েছে, ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো এবং সংক্রমণ রুখতে আরো কি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। পাশাপাশি, সাংসদ তহবিল বাতিল (MPLAD) করার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল। শুধু তাই নয়, করোনা মোকাবিলায় MPLAD ফান্ডের টাকা সরাসরি রাজ্যের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতারা।

এদিকে, ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউন আরও বাড়ানো হবে কিনা, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরেই। আগামী শনিবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আবার ভিডিও কনফারেন্স করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সব মুখ্যমন্ত্রীদের মতামত শোনার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

তবে সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন ১৪ এপ্রিল লকডাউন উঠুক বা না উঠুক, আরও অন্তত এক মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শপিং মল, সিনেমা হল, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মতো জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে বলে সুপারিশ জানিয়েছেন করোনাভাইরাস নিয়ে গঠিত বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠী। আর এই প্রস্তাব কেন্দ্রও মেনে নিতে পারে বলেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর পাওয়া গেছে। সর্বসাকুল্যে এখনই লকডাউন ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

আরও অন্যান্য খবর