আর জি করের ঘটনা নিয়ে এই মুহূর্তে রাজ্য-সহ গোটা দেশ উত্তাল। তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সরব সকল স্তরের মানুষ। একজন চিকিৎসক নিজের কর্মস্থলেই সুরক্ষিত নন। নারী সুরক্ষা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবী উঠেছে। এরই মধ্যে ফের একবার মেয়েদের সুরক্ষা নিয়ে উঠল প্রশ্ন।
ফের কলকাতা শহরেই ঘটে গেল আরও এক ভয়াবহ ঘটনা। এক নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল এবার। ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুরে। স্থানীয়দের দাবী, নাবালিকাকে বাড়িতে ডেকে যৌন নির্যাতন করেছেন এলাকারই এক ব্যক্তি। অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করেন স্থানীয়রা।
জানা গিয়েছে, গত সোমবার ওই ব্যক্তি ১০ বছরের নাবালিকাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাকে যৌন নির্যাতন করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি, এমনটাই অভিযোগ পরিবারের। বাড়ি ফেরার পর এই ঘটনার কথা পরিবারের সকলকে জানায় ওই ১০ বছরের নাবালিকা। সেকথা জানার পরই হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ জানায় পরিবার।
জানা গিয়েছে, অভিযোগ পেয়ে গতকাল বুধবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু এদিন বিকেলেই সেই অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। নাবালিকাকে হোমে পাঠানো হয়েছে। পুলিশি তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তোলা হয় নাবালিকার পরিবারের তরফে। এই নিয়ে প্রবল বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারাও। ভাঙচুর চালানো হয় অভিযুক্তের বাড়ি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান সকলে। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, এই স্লোগান উঠতে থাকে।
বলে রাখি, গতকাল, বুধবারই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মেয়ো রোডের অনুষ্ঠান থেকে ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “রাজ্যের হাতে আইন থাকলে আমরা অনেক আগেই ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনতাম। কিন্তু অনেক অপেক্ষা করেছি। আর নয়। আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশনে ধর্ষণের বিরুদ্ধে ফাঁসির বিল আনব। রাজ্যপালের কাছে পাঠাব”। তাঁর এই মন্তব্যের পরই সামনে এল আরও এক নাবালিকা নির্যাতনের ঘটনা।






