প্রেগনেন্ট নয়, ক্যান্সার হয়েছে রাইয়ের! অনির্বাণ নয়, শৌর্য্য গিয়ে পাশে দাঁড়াল রাইয়ের!

Mithijhora 29 August episode: জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে রাইয়ের বিপদে যখন সবার আগে অনির্বাণের দাঁড়ানোর কথা তখন সেখানে অনির্বাণ রাইকে সন্দেহ করে দূরে ঠেলে দিচ্ছে আর রাইয়ের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে শৌর্য্য! ধারাবাহিকের এই কনসেপ্ট রীতিমতো অবাক করেছে দর্শককে।

Mithijhora 29 August episode/ মিঠিঝোরা ২৯শে আগস্টের পর্ব

মিঠিঝোরা ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে যে, শৌর্য্য যখন তার অনিদার মুখ থেকে সবটা শুনতে পায় তখন সে বুঝতে পারে নিশ্চয়ই রাইয়ের কোন বড় রকমের সমস্যা হয়েছে। তাই সে তার অনিদাকে বলে,রাইয়ের বিষয়টা নিয়ে অন্য কোন ডাক্তারের সাজেশন নিতে কিন্তু অনি রেগে গিয়ে বলে, আমি ডাক্তারের সাজেশন নেব না রাইকে বাড়ি থেকে বার করে দেবো সেটা আমার ব্যাপার এই বলে সে বেরিয়ে যায়।

তবে চলে যাওয়ার আগে অনি শৌর্য্যকে রীতিমতো হুমকি দিয়ে যায় যে অনি যদি জানতে পারে এসবের মধ্যে শৌর্য্য আছে তাহলে ভালো হবে না। কিন্তু শৌর্য্য এত কিছুর পরেও রাইয়ের বিষয় নিয়ে চিন্তা করে। সে ভাবে যে অন্য কারোর কিছু হলে তো রাই ছুটে ঝাঁপিয়ে পড়তো কিন্তু এই মুহূর্তে রাইয়ের পাশে কে আছে? কেউ কি রাইকে বলেছে অন্য ডাক্তার দেখানোর কথা! আবার সে ফোন করলেও তো রাই বিব্রত হবে কিন্তু তা সত্ত্বেও রাইয়ের ভালোর জন্য রাইয়ের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় শৌর্য্য।

অন্যদিকে স্রোত ঠিক করে এরকম মানসিক অবস্থায় তার ক্লাস না করাই উচিত। সেই কারণে সে ক্লাস অফ করে লাইব্রেরি রুমে যাবে বলে ঠিক করলে সার্থক তাকে আটকায় আর বলে সার্থক জানে যে কেন স্রোত এরকম করছে। কিন্তু সার্থক আজকে ক্লাসে স্রোতকে কোন‌ও প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবে না, স্রোত যেন শুধু পড়া শোনে তবুও যেন স্রোত ক্লাসটা করে। সার্থকও স্রোতকে বলে, সে চাই যে তার দিদির সাথে কথা বলতে কিন্তু স্রোত বলে, সে আগে নিজে দিদির সাথে কথা বলবে তারপর।

এরপর রাই স্রোতের সাথে দেখা করে আর স্রোত সমস্ত রিপোর্টগুলো দেখে‌। রাই বলে, কোন ডাক্তারের সাথে আলোচনা করা যায় বলতো এই বিষয়টা নিয়ে?স্রোত বলে,সে সার্থকের বাবার সাথে কথা বলবে। রাই বলে অসুস্থ হওয়ার মতো বিলাসিতা আমাকে মানায় না কিন্তু স্রোত কি মনে হয় আর কোন ক্ষেত্রে এমনটা হতে পারে? একজন ডাক্তার হওয়ার জন্য স্রোত আগে থেকে কিছু একটা গেস করছিল কিন্তু সে সেটা চেপে যায়। অন্যদিকে রাই বলে বাড়িতে বউমনি ছাড়া যেন কেউ বিষয়টা জানতে না পারে।

ওদিকে রাইয়ের রিপোর্ট নিয়ে স্রোত এবং সার্থকের বাবা যখন আলোচনা করতে থাকে তখন সার্থকের বাবা স্রোতকে প্রশ্ন করে তোর কি মনে হয় কোন ক্ষেত্রে ফলস প্রেগনেন্সির রিপোর্ট আসতে পারে? স্রোত তখন ভয় পেয়ে গিয়ে বলে ওভারিয়ান ক্যান্সার! সার্থকের বাবা বলে হতেও পারে নাও হতে পারে। ওদিকে শৌর্য্য অনির সাথে দেখা হওয়ার বিষয় জানিয়ে রাইকে ফোন করে এবং বলে সে রাইয়ের পাশে আছে কোন ডাক্তারের দরকার হলে সে সাহায্য করবে। রাই এই প্রথম শৌর্য্যের কাছে ক্ষমা চায় কারণ সে রিয়েলাইজ করেছে শৌর্য্যের জীবন নষ্ট করার জন্যই সে সুখী হতে পারছে না। এবার কী হতে চলেছে ধারাবাহিকে, জানতে হলে দেখতে থাকুন মিঠিঝোরা! 

Sangita Chatterjee

আরও পড়ুন

RELATED Articles